আন্তর্জাতিক সময়চুক্তিছাড়া ব্রেক্সিটে যেসব খাতে প্রভাব পড়বে

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
চুক্তিছাড়া ব্রেক্সিট হলে, ব্রিটেনজুড়ে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অরাজকতা সৃষ্টি হবে বলে সম্প্রতি প্রকাশিত সরকারি নথিতে তথ্য উঠে এসেছে।
একইসঙ্গে, ওই নথিতে ব্রেক্সিট পেছানোর বিষয়েও নির্দেশনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসিসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে।
পার্লামেন্টে এক ভোটাভুটিতে এসব নথি প্রকাশের পক্ষে অধিকাংশ আইনপ্রণেতারা ভোট দেয়ায় অবশেষে তা প্রকাশ পেলে উঠে আসে এমন তথ্য।
এদিকে, চুক্তিহীন ব্রেক্সিট বিষয়ক সরকারি নথি প্রকাশিত হওয়ার পর পার্লামেন্টের স্থগিতাদেশ বাতিল করে আবারও অধিবেশন ডাকতে বরিস জনসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিরোধী লেবার পার্টি।
চুক্তিহীন ব্রেক্সিট ঠেকাতে সম্প্রতি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিল পাসের পাশাপাশি এ সংক্রান্ত সকল সরকারি নথি প্রকাশের পক্ষেও এক ভোটাভুটিতে রায় দেন আইনপ্রণেতারা।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার, চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিরূপরনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের গবেষণা সংক্রান্ত সকল নথি প্রকাশ করা হয়।
এতে, চুক্তি ছাড়া ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়লে, দ্রব্যমূল্য বাড়ার পাশাপাশি দেশজুড়ে অরাজকতা সৃষ্টি হবে বলে সতর্ক করা হয়। একইসঙ্গে, প্রতিবেদনে ব্রেক্সিট পেছানোর নির্দেশনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
সরকারি এসব নথি প্রকাশের পর পার্লামেন্টের স্থগিতাদেশ বাতিল করে দ্রুত অধিবেশন শুরুর দাবি জানিয়েছে বিরোধী লেবার পার্টি।
দলটির ব্রেক্সিট বিষয়ক ছায়া মন্ত্রী স্যার কেইর স্টারমার বলেন, সরকারের এসব নথিই প্রমাণ করে চুক্তিহীন ব্রেক্সিট হলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ঝুঁকির মধ্যে পড়বে ব্রিটেন। আর এ কারণেই অধিবেশন ডেকে চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে অঙ্গীকার করার দাবিও জানান তিনি।
কেইর স্টারমার বলেন, স্কটল্যান্ডের সর্বোচ্চ আদালত এরইমধ্যে আদালত স্থগিতকে বেআইনী হিসেবে অভিহিত করেছে, যা আমাদের জন্য এক বড় পাওয়া। এর মধ্য দিয়ে গেল এক সপ্তাহ ধরে আমরা যা যা করেছি, যেসব দাবি তুলেছি, তার যৌক্তিকতা প্রমাণিত হয়েছে। সময় হয়েছে, আবারও পার্লামেন্টে ফেরা। যাতে করে একটি নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে প্রধানমন্ত্রীকে চুক্তিহীন ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন থেকে আমরা বিরত রাখতে পারি।
এর মধ্যেই, ব্রেক্সিট নিয়ে ইইউ'র সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় বসতে ব্রাসেলসে পৌঁছেছেন ব্রিটেনের ব্রেক্সিট বিষয়ক প্রধান আলোচক ডেভিড ফ্রস্ট। চুক্তির লক্ষ্যে সফরকালে ইইউ প্রতিনিধিদের কাছে বিকল্প প্রস্তাব উপস্থাপনসহ নানা ইস্যুতে আলোচনার কথা হয়েছে তার। আগামী ৩১শে অক্টোবরের মধ্যে ব্রিটেনের ইইউ ছাড়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও, এই সময়ের মধ্য চুক্তি না হলে, ৩১শে জানুয়ারি পর্যন্ত ব্রেক্সিট পেছানোর দাবি জানিয়ে আসছে বিরোধী লেবার পার্টি। যদিও, চুক্তি না হলে, চুক্তি ছাড়াই জোট ছাড়ার বিষয়ে এখন অনড় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop