বাণিজ্য সময়‘বাংলাদেশের জিডিপি বৃদ্ধিতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে’

সময় সংবাদ

fb tw
সিঙ্গাপুর-হংকং কে পেছনে ফেলে ক্রয়ক্ষমতার সমতার বিবেচনায় বাংলাদেশের জিডিপি এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ১৩তম অবস্থানে উঠে আসায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। এতে উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোও অর্থায়নে আকৃষ্ট হবে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ক্রয়ক্ষমতার বিচারে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির জন্য কাজ করেছে সরকারের নানামুখী উন্নয়ন ব্যয়।
সুপার-সিঙ্গাপুরের তুলনায় ২২ শতাংশ ও হংকং এর তুলনায় ৫০ শতাংশ এগিয়ে গেছে বাংলাদেশের জিডিপি।
গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির হার ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। যা দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশের তালিকায় বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে সামনের কাতারে। এই জিডিপি প্রবৃদ্ধি মূলত ভোগব্যয়ের ওপর ভর করেই আসছে বলে জানা গেছে বিভিন্ন মাধ্যমে।
অর্থাৎ জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা আগের তুলনায় পণ্য ও সেবায় বেশি ব্যয় করছে। সম্প্রতি এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক এডিবি'র 'কি ইনডিকেটরস ফর এশিয়া এন্ড দ্যা প্যাসিফিক' শীর্ষক প্রতিবেদনেও একইরকম তথ্য উঠে এসেছে। বলা হয়েছে গত প্রায় গত দুই দশকে ক্রয়ক্ষমতার সমতার বিবেচনায় সিঙ্গাপুর ও হংকং এর জিডিপি'কে ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ।
গত বছর পিপিপি'তে বাংলাদেশে সেবা সৃষ্টি ও পণ্য উৎপাদনের আর্থিক মূল্য ছিলো ৭০ হাজার ৪শ ১৬ কোটি ডলার। এতে সিঙ্গাপুরের তুলনায় ২২ শতাংশ ও হংকং এর তুলনায় ৫০ শতাংশ এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ।
অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, এডিবির বিচারে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর বা হংকং চেয়ে বড় হওয়া মানে হচ্ছে ইকোনোমিক সাইজে আমরা বড়। এটার মূল কারণ হচ্ছে আমাদের জনসংখ্যা বেশি। প্রত্যেকের মাথাপিছু আয় যোগ হয়ে বড় হয়েছে ইকনোমি। বড় ইকনোমি সাইজ হওয়ার ফলে আমরা সুবিধাজনক অবস্থানে আছি ।
এডিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী দারিদ্র বিমোচন, গড় আয়ু, কর্মক্ষম শ্রমশক্তির দিক দিয়েও বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে পাওয়া এধরনের তথ্য দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
বাংলাদেশ-জার্মান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত বলেন, গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ সরকার যে অর্থনৈতিক সংস্কার করেছে সেগুলো সার্বিকভাবে দেশের উৎপাদন বৃদ্ধি করেছে ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। সেই ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধির কারণে আমরা এগিয়ে গেছি।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, অর্থনীতির গতির সাথে পাল্লাদিয়ে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নে গুরুত্ব দিলে আরো বড় অর্জন সম্ভব ।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop