শিক্ষা সময়শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শারীরিক নির্যাতন বন্ধ হচ্ছে না

মৌসুমি মৌ

fb tw
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না শারীরিক নির্যাতন প্রবণতা। বিদ্যালয়গুলোতে বেতের পরিবর্তে অহরহ ব্যবহার হচ্ছে স্কেল, ডাস্টার। অসতর্কতাবশত বেত ডাস্টার ছুড়তে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই ঘটছে অঙ্গহানি, বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। শিক্ষাবিদরা বলছেন, যেকোনো রকম অসদাচারণের দায় নিতে হবে শিক্ষকদেরই।
হবিগঞ্জের যাদবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী হাবিবা আক্তার। বয়স ৮। বয়সটা হেসে খেলে বেড়ানোর, গান গাওয়ার আর রূপকথার গল্প শোনার। কিন্তু তা না হয়ে শিক্ষকের বেত্রাঘাতে চোখ হারিয়ে অনিশ্চিত যাত্রাপথে অসহায় হাবীবার দিন কাটছে রাজধানীর চক্ষু হাসপাতালে।
২০১১ সালে স্কুল, কলেজ মাদরাসাসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১১ ধরনের শারীরিক ও ২ ধরনের মানসিক শাস্তি নিষিদ্ধ করে পরিপত্র জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইউনিসেফ ও ইউএনডিপির জরিপ বলছে, ২০১৩ সাল পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতকরা ৯০ ভাগ শিশু শারীরিক নির্যাতনের শিকার। স্কুল ও মাদরাসা কোনোটাতেই মানা হচ্ছে না এ নীতিমালা।
তবে কিছু শিক্ষকের অনভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণের অভাবকেই এ জন্য দায়ী করছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষাবিদরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষকসুলভ মেজাজ ও আচরণ নিশ্চিত করতে হবে শিক্ষকদেরই।
সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি স্কুল ও মাদরাসাতেও শিক্ষককের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণের পরামর্শ শিক্ষাবিদদের।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop