স্বাস্থ্যচিকিৎসা ব্যয় কমাতে স্বাস্থ্যবীমা চালুর তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
সব মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসা ব্যয় কমিয়ে আনতে ব্যাপকভাবে স্বাস্থ্যবীমা চালুর কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এ জন্য সরকারের স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচির আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি বীমা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিয়মনীতি আরো সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
রোবববার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে স্বাস্থ্যবীমার ভবিষ্যত নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা স্বাস্থ্যবীমা সম্প্রসারণে মাঠপর্যায়ে উদ্যোগ নেয়ার তাগিদ দেন।
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে জনগণের মাথাপিছু আয় বাড়লেও সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হয়নি এখনো। স্বাস্থ্যখাতের ব্যয়ের ৬৪ শতাংশ অর্থ নিজের পকেট থেকে দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। আর প্রাণঘাতী রোগের বিপুল অঙ্কের চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে প্রতি বছর নিঃস্ব হচ্ছেন ৫০ লাখ মানুষ। অথচ স্বাস্থ্যবীমা আছে মাত্র এক শতাংশ মানুষের। স্বাস্থ্যবীমার ভবিষ্যত নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে এ এসব চিত্র তুলে ধরেন বক্তরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব হেলথ ইকোনমিকস বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ সেমিনারে বলেন, নানা রকম সমস্যা আছে, নিয়মকানুন যেটা আছে সেটা প্রয়োগ করতে পারে না। তারপর গভার্ন্সের অভাবে আছে, ইন্সুরেন্সের জন্য আইটেম ইনফাকচারের দরকার হয় সে জায়গায় আমরা পিছিয়ে আছি। ইন্সুরেন্স দিতে গেলে হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার লাগবে। সার্ভিসটা দেবে কে? সেখানে যদি আমরা দেখি যে, আমাদের প্রাইভেট হাসপাতাল ভালো আছে সেগুলো সবই ঢাকায়।
স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচিতে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যবীমা সম্প্রসারণে সহায়ক নীতি প্রণয়নের তগিদ দেন তারা।
সরকার পরীক্ষামূলকভাবে টাঙ্গাইলের তিনটি উপজেলায় স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি চালু করেছে। ব্যাপকভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ সরবরাহ এবং সেবাদানকারীদের প্রণোদনা দেয়ার কথা বলছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া সরকারি হাসপাতালগুলোতে স্বাস্থ্যবীমা চালু করতে আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়।
হেলথ ইকোনমিকস ইউনিটের উপ-পরিচালক অধ্যাপক নুরুল ইসলাম বলেন, যার পকেটে টাকা আছে সে তো হেলথ কেয়ার কিনছে ও নিচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হলো তার যার কাছে টাকা নেই, সে এটি পাচ্ছে না। এই জায়গাটাই আমাদের ঠিক করার আসল উদ্দেশ্য ছিল। চিকিৎকদের কথা যদি আমরা বলি ৬৩টি পদের মধ্যে ৩১টি পদ খালি আছে।   
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop