আন্তর্জাতিক সময়সৌদি তেল স্থাপনায় হামলায় লাভবান যুক্তরাষ্ট্র

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
সৌদি আরবের প্রধান দু'টি তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলার পর দেশটির জ্বালানি তেল উত্তোলন অর্ধেকের বেশি কমে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম।
বিশ্লেষকরা বলছেন, শুধু আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নয়, পারস্য উপসারগীয় অঞ্চলেও এ হামলার বিরূপ প্রভাব পড়বে। এর কারণে যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে বলেও মনে করছেন তারা। এর মধ্যেই দেশটির তেলক্ষেত্রে আবারো হামলার হুমকি দিয়েছে ইয়েমেনের হাউথি বিদ্রোহীরা।
গেলো শনিবার সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি অ্যারামকোর দুটি তেলক্ষেত্রে ইয়েমেনের হাউথি বিদ্রোহীদের ড্রোন হামলার পর দেশটির দৈনিক তেল উত্তোলন অর্ধেকের বেশি কমে যায়। কবে নাগাদ উৎপাদন স্বাভাবিক হবে তাও অজানা।
এর প্রভাবে বিশ্বের জ্বালানির বাজারে এরইমধ্যে দেখা দিয়েছে চরম অস্থিরতা। ঘাটতি পুষিয়ে নিতে সোমবার থেকে তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে সৌদি সরকার।
হামলার কারণে অপরিশোধিত তেলের উত্তোলন দৈনিক ৫৭ লাখ ব্যারেল কমে যাওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী।
দেশটির এ সিদ্ধান্তের পর বিশ্ববাজারেও জ্বালানি তেলের দাম চড়তে শুরু করেছে। সোমবার ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ১৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৬৬ ডলার ২৮ সেন্টে পৌঁছায়।
অন্যদিকে এশিয়ায় ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটে ব্যারেল প্রতি জ্বালানি তেল বিক্রি হয়েছে আগের চেয়ে ৮ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি দরে, ডলারমূল্যে যা ৫৯ ডলার ৭৫ সেন্ট। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে থাকায় এশিয়ার শেয়ার বাজারেও দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
সৌদি আরব থেকে যোগান কমে যাওয়ায় তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৮০ মার্কিন ডলার বা তারও বেশিতে পৌঁছুতে পারে বলে আশঙ্কা বাজার বিশ্লেষকদের।
এমনকি তা ১শ' ডলারও স্পর্শ করতে পারে বলে মনে করছেন তারা। শুধু আন্তর্জাতিক বাজারে নয়, এই হামলার প্রভাব পারস্য উপসাগারেও ভয়াবহ আকারে পড়তে পারে বলে জানান সৌদি আরবের এ জ্বালানি বিশেষজ্ঞ।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ আব্দুল রহমান আল মুরশেদ বলেন, সৌদি আরব বিশ্ব বাজারে সবচেয়ে বেশি অপরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহ করে থাকে। হামলায় যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে ওঠার সক্ষমতা সৌদি আরবের রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে যখন ইরাক এবং ইরানের তেল সরবরাহ বন্ধ ছিল, তখন সৌদি আরব সেই ঘাটতি মিটিয়েছে। সাময়িকভাবে সৌদি আরবের জন্য এটি দুর্যোগ হিসেবে দেখা দিলেও এই পরিস্থিতি বেশি দিন থাকবে না। নিজেদের নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় সৌদি আরবের আরো মনযোগী হতে হবে। এই অঞ্চলে যারা শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে চায় তাদের সাথে সম্পর্ক আরো জোরদার করা উচিত।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল ক্ষেত্রে হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনীতি পর্যবেক্ষকরা।
তারা বলছেন, এর কারণে নিরাপত্তা জোরদারের জন্য ওয়াশিংটনের কাছ থেকে আরো বেশি অস্ত্র কেনার পাশাপাশি সামরিক সহযোগিতা চাইতে পারে রিয়াদ।
এছাড়া, আন্তর্জাতিক বাজারে চড়া দামে জ্বালানি তেল বিক্রি করতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র।
অন্যদিকে, হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করে যুদ্ধ বাধিয়ে দেয়ারও চেষ্টা করতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন। এমন পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের তেল ক্ষেত্রে যেকোন সময় আবারো হামলার হুমকি দিয়েছে ইয়েমেনের হাউথি বিদ্রোহীরা। ইয়েমেনে সৌদি আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে গোষ্ঠীটি।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop