বাণিজ্য সময়রাজধানীর ৫ পয়েন্টে পেঁয়াজ বিক্রি করবে টিসিবি

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
বাজার স্থিতিশীল করতে আগামীকাল রাজধানীর পাঁচটি পয়েন্টে পেঁয়াজ বিক্রি করবে টিসিবি।
সময় সংবাদকে টিসিবি'র মুখপাত্র হুমায়ুন কবির জানান, পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এদিকে, স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কমার প্রভাব ধীরগতিতে পড়ছে রাজধানীর পাইকারি বাজারে। ৪ দিনের ব্যবধানে কেজি প্রতি দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা বাড়লেও কমেছে ৪ থেকে ৫ টাকা। তবে খুচরা ক্রেতাদের পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে বাড়তি দামে।
কোরবানের পর থেকেই অস্থির দেশের পেঁয়াজের বাজার। তবে দাম ৫০ থেকে ৫৫ টাকার মধ্যেই ওঠানামা করছিল। গেল শনিবার ভারত সরকার পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য ৫৫০ ডলার বাড়িয়ে ৮৫০ ডলার করে। এই খবর শুনেই দাম বাড়িয়ে দেয় পাইকাররা। এক দিনেই পেঁয়াজের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৭০ টাকায়।
আড়তদাররা বলছেন, চলতি মৌসুমে প্রতিকূল আবহাওয়ায় পেঁয়াজ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ আমদানি না হওয়ায় সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে। কিছু আমদানিকারক নিত্য এই পণ্যটি মজুদ করায় দাম বেশি বেড়েছে বলে অভিযোগ তাদের।
একজন বলেন, আমরা বেশি দাম দিয়ে আনলে বেশি দামে বিক্রি করি। আবার কম দামে আনলে কম দামে বিক্রি করি।
সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে দাম আর বাড়বে না বলে জানান, ব্যবসায়ীরা।
এক ব্যবসায়ী বলেন, মাঝখানে কিছু দিন ভারতে পেঁয়াজ একটু কম এসেছে। তাই দেশি পেঁয়াজে দাম টা একটু বেড়ে গেছে। তবে এখন যে পরিমাণে আমদানি আছে, তাতে পেঁয়াজ বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
যদিও খুচরা ক্রেতাদের পেঁয়াজ কিনতে গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।
এক ক্রেতা বলেন, আগে তো ২০-২২ টাকা দরে কিনছি, তার পর ৫০ টাকা দরে। আস্তে আস্তে দাম বাড়তে বাড়তে আজ এই পর্যন্ত হয়েছে।
এদিকে বাজার স্থিতিশীল করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় টিসিবিকে খোলা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রির নির্দেশনার পর পেঁয়াজ সংগ্রহে মাঠে নেমেছে সংস্থাটি। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানির উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানান টিসিবির মুখপাত্র।
টিসিবি’র মুখপাত্র মো. হুমায়ুন কবির বলেন, নির্দেশনা মোতাবেক আমরা কার্যক্রম শুরু করেছি। খোলা ট্রাকের মাধ্যমে সারা দেশে বিক্রি করবো। দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা হিসেবে তুরস্ক, মিশর, মিয়ানমার এই তিনটি দেশের সাথে যোগাযোগ করার চেস্টা করছি, যাতে এলসি খুলে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি করতে পারি।  
দেশে প্রায় ৩০ লাখ টন পেঁয়াজের চাহিদা থাকলেও উৎপাদন হয় ২৩ লাখ টন পেঁয়াজ। বাকী পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop