আন্তর্জাতিক সময়রোহিঙ্গা ইস্যুতে আবারও মিথ্যাচার মিয়ানমারের

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
রোহিঙ্গা ইস্যুতে আবারও মিথ্যাচার করলো মিয়ানমার। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল করে আন্তর্জাতিক আদালতে দেশটির বিচার করার আহ্বান জানানোর পর, এক প্রতিক্রিয়ায় নেইপিদো রোহিঙ্গা সংকটের জন্য উল্টো সশস্ত্র গোষ্ঠী আরসাকে দায়ী করেছে।
এর আগে সোমবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাখাইনে এখনো ৬ লাখ রোহিঙ্গা গণহত্যার হুমকিতে রয়েছে।
সোমবার সুইজার‌ল্যান্ডের জেনেভায় মিয়ানমারের রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন তুলে ধরে জাতিসংঘের 'ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন' বা তথ্য অনুসন্ধান দল। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারের রাখাইনে যে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা রয়ে গেছে, তারা গণহত্যার চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।
এতে বলা হয়, রোহিঙ্গা গণহত্যা, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও যুদ্ধাপরাধে জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যেই ১শ' জনের বেশি নাম অন্তর্ভুক্ত করে গোপন একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের মুখোমুখি করার ব্যাপারে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি জোরালো সুপারিশ জানানো হয়। এক্ষেত্রে সাবেক যুগোস্লাভিয়া ও রুয়ান্ডার মতো একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের সুপারিশ করা হয় প্রতিবেদনে।
মিয়ানমারে নিযুক্ত জাতিসংঘের বিশেষ দূত ইয়াংহি লি বলেন, রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের কোনো ধরনই বাদ রাখেনি মিয়ানমার সেনাবাহিনী। নাগরিকত্ব বাতিলের পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের রাখাইন ছেড়ে যেতে বাধ্য করতে সব কিছুই করছে মিয়ানমার। এখনো যারা সেখানে বসবাস করছেন, তাদের ওপর চলছে চরম অমানবিক নির্যাতন। চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থেকে শুরু করে রোহিঙ্গাদের ন্যূনতম মানবাধিকার রক্ষা করা হচ্ছে না। নিরীহ মানুষকে বিনা অপরাধে আটক করা হচ্ছে। নির্যাতনের কারণে এরইমধ্যে কারাগারে ১৫ জন মারা গেছে।
ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের এসব তথ্যকে একপাক্ষিক বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন মিয়ানমার। বরাবরের মতো অভিযোগ অস্বীকার করে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে দেশটি। মিয়ানমারের বিশেষ প্রতিনিধি বলেন, সশস্ত্র গোষ্ঠী আরসার জন্যই রাখাইনে উত্যপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু না হওয়ার পেছনে আরসা এবং এনজিও কর্মীদের দায়ী করেন তিনি।
মিয়ানমার প্রতিনিধি কিয়ে ময়ে তুন বলেন, এ ধরনের পক্ষপাতদুষ্ট অভিযোগের আগে, তাদের উচিত মাঠে গিয়ে পরিস্থিতি দেখে আসা। রাখাইনে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরসা সাধারণ মানুষকে হত্যা করছে। তারা নিরাপত্তা বাহিনীর চেকপোস্টে হামলা চালিয়েছে। রোহিঙ্গাদের পালিয়ে যাওয়ার পেছনে এটিই মূল কারণ।
২০১৭ সালে রাখাইনে 'গণহত্যা', গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া, ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রধান মিং অং হেইংসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে সুপারিশ করেছিল জাতিসংঘে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন। নতুন প্রতিবেদনেও দেশটির সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিচার করার সুপারিশ করা হয়।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop