বাংলার সময়মা-সৎ বাবার প্ররোচণায় অনৈতিক কাজে বাধ্য, সেই কিশোরীর সন্তান প্রসব

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
ঝালকাঠিতে ১৩ বছরের এক কিশোরী জন্ম দিল শিশু সন্তান। যদিও শিশুটির পিতার পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তবে এ ঘটনায় ভিকটিমের সৎ বাবা ও নবজাতকের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ডিএনএ পরীক্ষায় ঢাকায় পাঠানোর জন্য। ঝালকাঠি সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু তাহের বলেন, শহরের একটি স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির এ ছাত্রীটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে এ খবরে গত ১০ সেপ্টেম্বর আমরা তাকে থানা হেফাজতে আনি।
সেখানে মেয়েটি অভিযোগ করে জানায়, তার মা ও সৎ বাবা কাজী আলম তাকে দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক অনৈতিক কাজে বাধ্য করে অর্থ উপার্জন করে আসছিল।
বিভিন্ন সময় অপরিচিত পুরুষদের তার ঘরে ঢুকিয়ে দিয়ে মা ও সৎ বাবা বাইরে পাহারা দিত। মাঝেমধ্যে সৎ বাবা কাজী আলমও তাকে যৌন নিপীড়ন করতেন। ওই দিন রাতেই পুলিশ মেয়েটির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সদর থানায় একাটি মামলা করে মা সাহেরা ও সৎ বাবা আলমকে গ্রেফতর করে। এদিকে ষষ্ঠ শ্রেণির ওই শিশু ছাত্রীটিকে ভর্তি করা হয় ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সদর হাসপাতালের গাইনি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেয়।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স নাজনিন বেগম জানান, অপ্রাপ্ত বয়সে মা হওয়ায় ভিকটিম কিছুটা অসুস্থ। তবে নবজাতক স্বাভাবিক ও সুস্থ রয়েছে।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ঝালকাঠি সদর উপজেলার মহদীপুর গ্রামের ইউনুস হাওলাদারের সঙ্গে ১৫ বছর আগে বিয়ে হয় একই এলাকার সাহেরা আক্তার কাজলের। আর তাদের ঘরে জন্ম নেয় এ কন্যা সন্তান (ভিকটিম)। তবে  সাহেরা ও ইউনুসের সংসার ভেঙে যায়। তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। 
ওই সংসারে জন্ম নেয়া একমাত্র কন্যা সন্তান নিয়ে সাহেরা শহরের কাঠপট্টি এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় চলে আসেন। ২০১৪ সালে সাহেরা শহরের কালীবাড়ি সড়কের টেলিভিশন মেকার কাজী আলমকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। আর সেখানেই মা ও সৎ বাবার সঙ্গে মেয়েটি নতুন সংসারে থাকে।
বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি ভিকটিম সাংবাদিকদের জানায়, সে যখন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে, তখন থেকেই তাকে জোর করে মা ও সৎ বাবা অন্য পুরুষের সঙ্গে অনৈতিক কাজে বাধ্য করতেন। এমনকি সৎ বাবাও তাকে ধর্ষণ করতো। বর্তমানে শহরের একটি স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী সে। 
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঝালকাঠি সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সরোয়ার হোসেন বলেন, জন্ম নেয়া সন্তানের পিতৃপরিচয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য নবজাতক এবং ভিকটিমের সৎ বাবা কাজী আলমের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।  ডিএনএ পরীক্ষার জন্য তা ঢাকা সিআইডিতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে অন্যান্য আইনি পদক্ষেপও চলছে, বলেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সরোয়ার হোসেন।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop