আন্তর্জাতিক সময়আসামে বাঙালিদের নাম বাদ পড়ার জন্য মমতা : কমিউনিস্ট নেত্রী

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
এনআরসি বাস্তবায়নে ধর্মীয় কারণে কেউ যেন আক্রান্ত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অন্যদিকে, নাগরিকত্ব তালিকা থেকে বাদ পড়া হিন্দু বাঙালিদের পাশে থাকার অঙ্গীকার বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাম মাধবের। আর আসামে এনআরসি থেকে বাঙালিদের নাম বাদ পড়ার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করলেন কমিউনিস্ট নেত্রী বৃন্দা কারাত।
আসামে নাগরিকত্ব তালিকা বাস্তবায়ন নিয়ে তুমুল বিতর্কের মধ্যেই ইতোমধ্যে ভারতজুড়ে এনআরসি বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার। হরিয়ানা থেকেও অভিবাসীদের তাড়ানোর হুশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর। হরিয়ানার নির্বাচন সামনে রেখে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, অনুমতি ছাড়া অভিবাসীদের ভারতে থাকার কোন অধিকার নেই।
আসামের নাগরিকত্ব তালিকায় ত্রুটি রয়েছে বলে স্থানীয় সংগঠনগুলো যে দাবি করে আসছে তা স্বীকার করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব। তবে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ধর্মীয় এবং সামাজিক নির্যাতনের শিকার হয়ে যে সব অভিবাসী ভারতে আশ্রয় নিয়েছে তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব বলেন, ১৯৫১ সালে সারা দেশে এনআরসি হয়েছে শুধুমাত্র আসামকে বাদ দিয়ে। তৎকালীন সরকারের ভুলে প্রক্রিয়াটি এই রাজ্যে ৭০ বছর পিছিয়ে যায়, তাই এটি বাস্তবায়নে ছোটখাটো সমস্যা থাকা খুব স্বাভাবিক। তবে আমি কথা দিচ্ছি, এগুলো আস্তে আস্তে শুধরে নেওয়া হবে। সত্যিকারের ভারতীয় এবং নির্যাতিত অমুসলমান শরণার্থীরা ভারতীয় নাগরিকত্ব থেকে কোনভাবেই বঞ্চিত হবেন না।
নাগরিকত্ব তালিকায় বাদ পড়াদের অধিকাংশই মুসলিম অভিবাসী হলেও ধর্মের ভিত্তিতে কাউকে হেনস্থা করা হবে না বলে জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শনিবার জামিয়াত উলেমায়ে হিন্দ ও আহলে হাদিস হিন্দের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, তালিকা থেকে বাদ পড়াদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তাদের সবাইকে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দেয়ারও আশ্বাস দেন তিনি।
এদিকে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির এনআরসি' বাস্তবায়নের হুঙ্কারে ভীত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কমিউনিস্ট নেত্রী বৃন্দা কারাত। আসামে এনআরসি'র জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায় দায় এড়াতে পারেন না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বলেন, বহু বাঙালি নারী বিয়ের পর বাংলা থেকে আসামে গিয়েছে। তাদের বৈধ বাসিন্দার প্রশংসাপত্র মমতা সরকারের দেওয়ার কথা থাকলেও তা দেয়া হয়নি।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop