স্বাস্থ্যবাংলাদেশে নতুন ভাইরাস

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
‘ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস’ নামে দেশে নতুন একটি ভাইরাস এসেছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থার একজন পরামর্শক। তবে এ নিয়ে সরকারি তরফ থেকে এখনো অনুসন্ধান শুরু হয়নি। কোথা থেকে এই ভাইরাস এসেছে বা কতজন মানুষ এতে আক্রান্ত হয়েছে, তাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
একজন ব্যক্তির শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত করেছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি)। সপ্তাহ দেড়েক আগে আইসিডিডিআরবি এই তথ্য লিখিতভাবে সরকারের অন্তত তিনটি দপ্তরকে জানিয়েছে বলে খবর প্রকাশ করে দৈনিক প্রথম আলো। যদিও আইসিডিডিআরবি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো তথ্য বা বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।
জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থার ওই পরামর্শক বলেছেন, ঢাকার অদূরে যেখানে ওই রোগী শনাক্ত হয়েছে তার আশপাশে জরিপ করলে আরো এ ধরণের আরো রোগী পাওয়া যেতে পারে। সময়ক্ষেপণ না করে কাজটি করা উচিত বলেও মনে করেন তিনি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, সাধারণত কাকজাতীয় পাখির শরীরে সুপ্ত অবস্থায় থাকে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস। এই ভাইরাসে সংক্রমিত মশা কামড়ালে মানুষ এতে আক্রান্ত হয়। ভাইরাসের কারণে স্নায়ুতন্ত্রের রোগে মানুষের মৃত্যু হতে পারে।
ডব্লিউএইচও বলছে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর ৮০ শতাংশের কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। আক্রান্ত ঘোড়ায় এ রোগের তীব্রতা বেশি দেখা দেয় এবং ঘোড়া মারা যায়।
আফ্রিকা মহাদেশের উগান্ডার ওয়েস্ট নাইল অঞ্চলে একজন নারীর শরীরে ১৯৩৭ সালে প্রথম এই ভাইরাস শনাক্ত হয়। পরে ১৯৫৩ সালে নীল বা নদ উপত্যকায় পাখির (কাকজাতীয়) শরীরে এই ভাইরাস চিহ্নিত হয়।
গত ৫০ বছরে বিশ্বের অনেক দেশে এই ভাইরাসে মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় গ্রিস, ইসরায়েল, রুমানিয়া, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে। আফ্রিকা, ইউরোপের কিছু অংশ, মধ্যপ্রাচ্য, পশ্চিম এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় এই রোগের সংক্রমণ দেখা দেয়।
ডব্লিউএইচও বলছে, কোনো সংক্রামিত পাখির কাছ থেকে মশা এই ভাইরাস পায়। কয়েক দিনে মশার শরীরে ভাইরাসের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এরপর ওই মশা কোনো মানুষ বা পশুকে কামড়ালে সংক্রমণ ছড়ায়। আক্রান্ত মানুষদের ৮০ শতাংশের রোগের কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। আক্রান্ত ২০ শতাংশের ওয়েস্ট নাইল জ্বর হয়। এর লক্ষণ হচ্ছে জ্বর, মাথাব্যথা, পরিশ্রান্তভাব, শরীরে ব্যথা, বমিভাব, মাঝেমধ্যে শরীরে র‌্যাশ দেখা দেয়। ওয়েস্ট নাইল জ্বর মারাত্মক হলে মাথাব্যথা, তীব্র জ্বর, ঘাড় শক্ত হওয়া— এসব উপসর্গ দেখা দেওয়ার পাশাপাশি মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়, পক্ষাঘাতগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিও আছে।
এ পর্যন্ত মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণের কোনো ঘটনার নজির দেখা যায়নি। অন্যদিকে মা থেকে শিশুতে সংক্রমণেরও কোনো নজির নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও রোগ প্রতিরোধ প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল তাদের ওয়েবসাইটে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রে মশাবাহিত রোগের মধ্যে প্রধান হচ্ছে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস। এই ভাইরাস প্রতিরোধে কোনো টিকা নেই এবং আক্রান্ত মানুষের সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। আক্রান্ত প্রতি পাঁচজনের একজনের জ্বর ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয়। আক্রান্ত ১৫০ জনের মধ্যে একজনের পরিস্থিতি তীব্র হয়, মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে।

আরও পড়ুন

যে অস্ত্র দিয়ে ভারতে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ৫০০ জইশ ক্যাডারক্যাসিনো নিয়ে বিপরীত কথা পর্যটন সচিব-অর্থমন্ত্রীরপোষা বিড়ালের মৃত্যু থেকে সন্দেহ, অতঃপর ৪৮টি গোখরা উদ্ধার৯৯৯ এ সাহায্য চাওয়ায় পুলিশের মার খেলেন নারী!প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ধর্ষককে পুড়িয়ে মারল জনতাযেভাবে স্মার্টফোনের বেশিক্ষণ চার্জ রাখা যায় শেরপুরে কিশোরকে নগ্ন করে গাছে বেঁধে নির্যাতন

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop