প্রবাসে সময়লন্ডনে এক্সচেঞ্জ হাউস গুটাচ্ছে বাংলাদেশি ব্যাংকগুলো

সময় সংবাদ

fb tw
প্রবাসী বাংলাদেশিদের রেমিট্যান্স সেবা দিতে এক সময় ব্রিটেনে এক্সচেঞ্জ হাউস খোলার জন্য বেশ উৎসাহ ছিল ব্যাংকগুলোর মধ্যে। খরচের তুলনায় আয় কম থাকায় এখন এক্সচেঞ্জ হাউস গুটিয়ে ফেলছে অনেক ব্যাংক। বন্ধ হতে হতে এখন অর্ধেকে নেমে এসেছে এক্সচেঞ্জ হাউসের সংখ্যা। এভাবে বন্ধ হতে থাকলে ব্রিটেন থেকে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমতে পারে এবং একই সঙ্গে হুন্ডির হার বাড়তে পারে বলে মনে করছেন প্রবাসীরা।
২০০৯ সালে বিদেশে এক্সচেঞ্জ হাউস চালুর প্রক্রিয়া শুরুর পর সর্বশেষ ১২টি ব্যাংকের এক্সচেঞ্জ হাউস যোগ হয়েছিল। এর মধ্যে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পেরে বন্ধ হয়ে গেছে ৫টি ব্যাংকের আওতাধীন এক্সচেঞ্জ হাউস ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকের বার্মিংহাম এক্সচেঞ্জ হাউসের কার্যক্রম।
সর্বশেষ এ বন্ধের তালিকায় যুক্ত হয় সাউথ ইস্ট এক্সচেঞ্জ হাউস। সরকার ও সোনালী ব্যাংকের যৌথ মালিকানায় ২০০১ সালে যুক্তরাজ্যে রেমিট্যান্স পাঠানোসহ ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে সোনালী ব্যাংক ইউকে। ৬টি শাখার মধ্যে লোকসানে পড়ে ইতোমধ্যে চারটি শাখা বন্ধ হয়ে গেছে। একের পর এক এক্সচেঞ্জ হাউস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
অধিকাংশ এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর ব্রিটেনে ব্যাংক একাউন্ট বন্ধ থাকায় নির্ভর করতে হচ্ছে বিকল্প প্রতিষ্ঠানের ওপর। শুধু বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে এসব হাউসগুলো। পাশাপাশি আয়ের তুলনায় বাড়ছে খরচের খাত।
স্ট্যান্ডার্ড এক্সচেঞ্জ হাউসের প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বলেন, ব্যবসায় টিকে থাকতে হলে অন্য প্রোডাক্টে যেতে হবে। আমাদের ই-ব্যাংকিং লাইসেন্স দরকার। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক আমাদের এই সাপোর্ট দিচ্ছে না।
যুক্তরাজ্যের এমটিবি এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী আনিসুর রহমান বলেন, হাই স্ট্রিট ব্যাংকে আমাদের কোনো অ্যাকাউন্ট নাই। এজন্য আমরা কভার ফান্ডগুলো পাঠাতে পারছি না। এছাড়া সব ব্যাংকগুলো এক জায়গাতেই ব্রাঞ্চ করেছে। কিন্তু আলাদা আলাদা জায়গায় ব্রাঞ্চ করলে সবাই টিকে থাকতে পারত।
বর্তমানে ব্রিটেনে প্রায় ১০ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করছেন। গত ২০১৮-২০ অর্থবছরে রেমিট্যান্স পাঠানোর তালিকায় শীর্ষ ছয়ে রয়েছে ব্রিটেন।
বছর দশেক আগে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি বাংলাদেশি ব্যাংককে বিদেশে এক্সচেঞ্জ হাউস খোলার অনুমতি দিয়েছিলো। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকি ও সময় উপযোগী সিদ্ধান্তের অভাবে একের পর এক মুখ থুবড়ে লোকসানের মুখোমুখি হতে হয়েছে এসব হাউসগুলোকে। এমনকি লোকসানের মুখে বন্ধ করে দিতে হয়েছে অনেককে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop