ksrm

অন্যান্য সময়নদীতে সোনা, উত্তোলনে বাধা নেই খুঁজতে পারেন আপনিও

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
নদীকে ঘিরে অনেক রহস্য ঘিরে থাকে। নদী-নালা সমুদ্রই ব্লু ইকোনোমির উৎস। নদীর সঙ্গে মানব সভ্যতার গাঢ় সম্পর্ক জড়িয়ে আছে। জানেন কি এই বিশ্বে এমন কিছু নদী রয়েছে যেখান থেকে সোনা পাওয়া যায়! এবং সেই নদীতে সোনা উত্তোলনে নেই কোনো নিষেধাজ্ঞাও। চাইলে আপনিও তুলতে পারেন সেই সোনা। তেমনই কিছু সোনার নদীর সন্ধান রইল।
ঝাড়খণ্ডের সুবর্ণরেখা নদী: এই নদীর নামের মধ্যেই সোনা লুকিয়ে রয়েছে। এই নদী দিয়ে নাকি জলের সঙ্গে সোনাও বয়ে চলে। এমনটাই কথিত রয়েছে। সুবর্ণরেখা নদীর উৎপত্তি রাঁচীর পিসকা গ্রাম থেকে। শোনা যায়, এক সময় নাকি এই পিসকা গ্রামে সোনার খনি ছিল। সেই জন্যই এই নদীর নাম সুবর্ণরেখা। আর সেই খনি থেকেই সোনা নদীতে মিশে যায়। বর্ষার পর সুবর্ণরেখায় জল কমে গেলে তীরে নাকি সোনার টুকরো পড়ে থাকে। আজও দেখা যায় স্থানীয় মানুষেরা বালি থেকে সোনা খুঁজছেন।
খারকাই নদী: সুবর্ণরেখার উপনদী হল খারকাই। জামশেদপুরের আদিত্যপুরের উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে এই নদী। এই নদীর দৈর্ঘ্য মাত্র ৩৭ কিলোমিটার। এই নদীতেও নাকি সোনা পাওয়া যায়। সুবর্ণরেখা নদীর সঙ্গে যোগসূত্রের কারণে এই খারকাইয়েও সোনা ভেসে আসে। এখানেও স্থানীয় মানুষদের সোনার সন্ধান করতে দেখা যায়। তাঁদের মতে, সারা দিন খোঁজার পর চালের থেকেও ছোট আকারের সোনার টুকরো মেলে।
ক্লনডাইক নদী: কানাডার ডসন শহরের ইওকন নদীর উপনদী হল ক্লনডাইক। ওজিলভিয়ে পর্বত থেকে সৃষ্টি হয়েছে নদীটি। এই নদীর আশেপাশে সোনা খুঁজে পেতে পারেন আপনিও। ১৮৯৬ সালে ১৬ অগস্ট প্রথম এই নদীতে সোনার সন্ধান মেলে। মার্কিন খনিজ সন্ধানকারী জর্জ কারম্যাক প্রথম এর সন্ধান দেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ১৮৯৬ সাল থেকে ১৮৯৯ সাল পর্যন্ত রীতিমতো গোল্ড রাশ হয় ডসন শহরের ক্লনডাইক নদীতে। লক্ষাধিক খনিজ সন্ধানকারী বেরিয়ে পড়েন ক্লনডাইকের উদ্দেশে। জানা যায়, তাঁদের অনেকে সোনা উত্তোলন করে প্রচুর ধনী হয়ে গিয়েছিলেন। আবার অনেকে কিছুই করে উঠতে পারেননি।
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব আলাক্সার চিলকুটের মধ্যে দিয়ে বরফে ঘেরা অনেকটা রাস্তা পাড়ি দিয়ে তাঁরা পৌঁছন ডসন শহরে। ১৮৯৬ সালের আগে পর্যন্ত এই শহরের জনসংখ্যা ছিল ৫০০। ১৮৯৬ থেকে ১৮৯৯ সালের মধ্যে সেই সংখ্যাটা গিয়ে দাঁড়ায় ৩০ হাজার। অস্থায়ী বাড়ি বানিয়ে তাঁরা বসবাস করতে শুরু করেন এই দুর্গম শহরে।
এই নদীতে খনন শুরু করেন অনেকে। সেখানে নদীর পাড়ে বরফ হয়ে যাওয়া বালি তুলে, বরফ গলিয়ে সোনা উদ্ধার করা হয়। এখানে সোনা উত্তোলনে কোনও আইনি বাধা নিষেধ নেই। চাইলে যে কোনও ব্যক্তি সোনা খুঁজতে পারেন।
সূত্র: আনন্দবাজার

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop