বিনোদনের সময়এক সময়ের হিট নায়িকার করুণ পরিণতি, এইডসে মৃত্যু

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
মাধুরী দীক্ষিত কিংবা প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার মতো এত জনপ্রিয় নায়িকা নন তিনি, তবে দক্ষিণী ফিল্মে আশির দশকের সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন নিসা নুর। ‘কল্যানা আগাথিগাল’, ‘লায়ার দ্য গ্রেট’, ‘টিক! টিক! টিক!’-এর মতো প্রচুর হিট ফিল্মে অভিনয় করেছেন তিনি। মূলত তামিল এবং মালায়লম ফিল্মই তিনি করতেন।
এমন হিট নায়িকার জীবন কেটেছে রাস্তায়। তার শেষ সময়ে পাশে ছিল না কেউ। শেষ জীবনে অর্থকষ্টে রাস্তায় কাটাতে হয়েছে তাকে। গায়ে পোকা, মাছি বসে থাকত। শেষে এইডস-এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তার।
আশির দশকে নিসার অভিনয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিল ইন্ডাস্ট্রিতে। জীবনের শেষ সময়ে তিনি পাননি সেই প্রশংসার প্রতিদান। তিনি কাজ করেছেন বালাচন্দন, বিষু, চন্দ্রশেখরের মতো এক কালের নামকরা সব পরিচালকের সঙ্গে।
শোনা যায়, রজনীকান্ত এবং কামাল হাসন তাঁর রূপে-গুণে এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন যে, তার সঙ্গে অভিনয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। দক্ষিণী এই দুই সুপারস্টারের সঙ্গেও টেলিভিশন স্ক্রিনে রোম্যান্স করতে দেখা গেছে নিসা নুরকে। এমন জনপ্রিয়তাই তার ক্ষেত্রে কাল হয়েছিলো খুব তাড়াতাড়ি তার ক্যারিয়ারে ‘দি এন্ড’ হয়ে যায়। ভীষণ অপ্রত্যাশিতভাবেই আচমকা ইন্ডাস্ট্রি থেকে হারিয়ে যান তিনি।
২০০৭ সালে চেন্নাইয়ের একটি দরগার বাইরে রাস্তায় তাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। কঙ্কালসার চেহারা, মলিন পোশাক, গায়ে পোকা, মাছি ঘুরে বেড়াচ্ছিল। তিনি এতটাই শীর্ণ ছিলেন যে মাছি তাড়ানোরও শক্তি ছিল না। দেখে বোঝার কোনো উপায়ই ছিল না যে তিনিই সেই নিসা নুর।
তাকে চিনতে পেরে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। সেখানে চিকিৎসায় ধরা পড়ে তিনি এইচআইভি আক্রান্ত। ২০০৭ সালের ২৩ এপ্রিল মাত্র ৪৪ বছর বয়সে এইডসে তার মৃত্যু হয়।
সূত্র: ইন্ডিয়া মিরর

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop