আন্তর্জাতিক সময়ইরাকে বিক্ষোভে গুলিতে নিহত ১শ' ছাড়িয়েছে

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
ইরাকে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহতের সংখ্যা একশ' ছাড়িয়েছে। টানা ৬ষ্ঠ দিনের মতো চলমান এই আন্দোলনে আহত হয়েছেন ৬ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারী।
তবে ইরাকের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা অস্বীকার করেছে। এরমধ্যেই ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আদেল আব্দুল মাহদি আন্দোলনকারীদের আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন।
টানা ৬ষ্ঠ দিনের মতো রোববারও সরকারবিরোধী আন্দোলনে রাস্তায় নামেন সাধারণ ইরাকিরা। দুর্নীতিরোধ, বেকারত্ব নিরসন, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে নানা স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা। রোববারের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে শিয়া নেতা মুক্তাদা আল সদর নিয়ন্ত্রিত সদর সিটিতেও। এসময় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় আন্দোলনকারীরা।
এক আন্দোলনকারী বলেন, আমরা যুবকরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি। কিন্তু কেন আমাদের হত্যা করা হচ্ছে?
এদিকে ইরাকে দুটি বেসরকারি টেলিভিশন স্টেশনে হামলা চালিয়েছে বন্দুকধারীরা। চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িতরাই এ হামলা চালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হামলায় হতাহতদের কোনো ঘটনা না ঘটলেও, স্টেশন দুটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বিক্ষোভে আন্দোলনকারীদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে শতাধিক নিহত হলেও, সংবাদ সম্মেলন করে ইরাকি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, চলমান বিক্ষোভে কোনো গুলি চালাইনি নিরাপত্তা বাহিনী। একই সঙ্গে আন্দোলনে পেছন থেকে কেউ উসকানি দিচ্ছে বলেও দাবি করা হয়।
ইরাকি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাদ মান বলেন, কয়েকদিনের সহিংসতায় একশ'র বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে কয়েক হাজার। আন্দোলনকারীদের উপর নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়নি। তবে কারা বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছে, সে তদন্ত শুরু হয়েছে। কোনো ষড়যন্ত্রে পা না দেওয়ার জন্য আমি সবার প্রতি আহ্বান জানাবো।
অন্যদিকে চলমান সহিংস বিক্ষোভের মধ্যে আন্দোলনকারীদের আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আদেল আব্দুল মেহদি। রোববার ইরাকি পার্লামেন্টের জরুরী সভায় তিনি আশ্বস্ত করেন, আলোচনার টেবিলে বসলে বিক্ষোভকারীদের দাবি শোনা হবে।
ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আদেল আব্দুল মেহদি বলেন, আন্দোলনকারীরা আমারই ভাই। আমি তাদের কথা শুনতে চাই। রাজধানী ছাড়াও যেসব প্রদেশে বিক্ষোভ চলছে, সেখানে সমস্যা সমাধানের জন্য বেসামরিক প্রতিনিধিদের পাঠানো হবে। আমি আবারো শান্তি রক্ষার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ইরাকে সরকারবিরোধী আন্দোলন তীব্র হচ্ছে । সেইসঙ্গে বাড়ছে সহিংসতার ঘটনাও। তবে চলমান অনিশ্চয়তার মধ্যে ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর আলোচনার প্রস্তাব, উত্তেজনা প্রশমনে খানিকটা হলেও ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop