মহানগর সময়লাশ পড়ে, রক্ত ঝড়ে কিন্তু বিচার হয় না

আতিকুর রহমান তমাল

fb tw
somoy
লাশ পড়ে, রক্ত ঝড়ে কিন্তু বিচার হয় না। মামলা হয়, আটকও হয় কিছুক্ষেত্রে কিন্তু কিছুদিন পর সব ধামাচাপা পড়ে যায়, মামলা ঝোলে বছরের পর বছর, এক সময় সবাই সব কিছু ভুলেই যায়। এ অবস্থার পুনরাবৃত্তি হতে দেখা যায় দেশের প্রায় সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী খুনের ঘটনায়। শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এ সমস্যা থেকে উত্তরণে জোরাল ভূমিকা রাখতে হবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষকদের।
আবরারের নিথর দেহ ধরাধরি করে নিয়ে যাওয়ার ছবি এখন ভাইরাল। কিন্তু সব ঘটনায়তো আর ছবি থাকে না। যেমন বুয়েট ক্যাম্পাসেরই সাবেকুন নাহার সনির কথা অনেকেরই মনে থাকার কথা। ২০০২ সালে ছাত্রদলের দুই পক্ষের গোলাগুলির মাঝে পড়ে নিহত হন সনি।
 
আবার ২০১০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএম হলে শিবিরের হাতে খুন হয় ছাত্রলীগকর্মী ফারুক। লাশ পাওয়া যায় ম্যানহোলের ভেরত। একই কায়দায় তিন বছর আগে লতিফ হলের ডাইনিংয়ের পাশের ড্রেনে পাওয়া যায় লিপুর লাশ। আবার ছাত্রলীগের দু'ই দলের সংঘর্ষে ৯ বছর আগে নিহত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের, দরিদ্র পরিবারের এক নিরাপরাধ শিক্ষার্থী আবু বকর সিদ্দিক।
বিভিন্ন পত্রিকা ঘেটে ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সূত্রগুলো বলছে, গত ৩৬ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬৪ জন, ৪০ বছরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪১ জন, চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত ১৭ ও জাহাঙ্গীরনগরে খুন হয়েছেন ৮ জন শিক্ষার্থী। এ সব খুনের ঘটনার কোনোটারই বিচার হয়নি আজও। যে ক’টি মামলার রায় হয়েছে সেসব ক্ষেত্রে আসামি লাপাত্তা।
শিক্ষাবিদরা বলছেন, এ অবস্থা থেকে উত্তরণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে শক্ত অবস্থান নেয়া উচিত।

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, এ পরিবেশ বন্ধ করতে হবে। এ পরিবেশকে বদল না করতে পারলে আমরা মোটেও এগোতে পারব না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতিরও উচিত এ পরিবেশ তৈরি করা। 
শিক্ষকরা নিরপেক্ষ অবস্থান না নেয়ায় মুখ থুবড়ে পড়ে মামলা- এমন অভিযোগও করেন তারা।
বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, সরকার তো বলবেই না কেননা সরকারি দলের ছেলেরাই এগুলো করে বেড়ায়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি শক্ত থাকত তাহলে আমরা আশা করতাম যে বিষয়টা সামনে থাকত। 
 
উচ্চশিক্ষা নিতে এসে এমন লাশ হওয়ার ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। যদিও নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবির মিছিলেও নিহত হওয়ার ঘটনা আছে।
১৯৯২ সালের ১৩ মার্চ। ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষের সময় মিছিল করছিলেন রাজু ও তার বন্ধুরা। সেই মিছিলে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। নিহত হন রাজু, সেই রাজুর স্মরণে এ ভাষ্কর্যটি করা হয়েছে ঠিকই কিন্তু শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস বন্ধ হয়নি আজও। 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop