শিক্ষা সময়যে কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে কমছে না দুর্বৃত্তদের দাপট

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দুর্বৃত্তদের দাপট কমছেই না। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ৩১ বছরে সংঘটিত ১৬টি হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা ১৯ মামলার একটিরও বিচার শেষ হয়নি। সবশেষ দিয়াজ হত্যা মামলায় ৩ বছরেও চার্জশিট দেয়া হয়নি। এতে পরিবারগুলোর হতাশা যেমন মাত্রা ছাড়িয়েছে তেমনি সাহস বেড়েছে দুর্বৃত্তদের।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ বছরের ইতিহাসে ছাত্র রাজনীতির বলি হয়েছে অন্তত ১৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্রলীগ-শিবির দ্বন্দ্বে যেমন শিক্ষার্থী খুন হয়েছে, তেমনি ছাত্র সংগঠনগুলোর অভ্যন্তরীণ বিরোধে প্রাণ দিয়েছে অনেকেই। এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা হয়েছিল ১৯টি। কিন্তু ১৮টি মামলায় বিচার চলছে বছরের পর বছর। বিশেষ করে সাক্ষীরা আদালতে না আসায় বিচার কাজে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘসূত্রিতা।
চট্টগ্রাম জেলা দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট একেএম সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘সাক্ষীরা বিভিন্ন জেলায় চলে যাওয়ায় তাদের আর পাওয়া যায় না। এজন্য মামলা পরিচালনায় বিলম্ব হয়।’
১৯৮২ সালে ছাত্রলীগ নেতা হামিদের হাত কেটে নিয়েছিল শিবিরকর্মীরা। আর তখন থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরু হয় সংঘাতের রাজনীতি। এরপর ১৯৮৮ সালে ছাত্রলীগের আমিনুল থেকে শুরু হয় হত্যাকাণ্ড। ১৯৯৯ সালে এক সঙ্গে ৩ জনের মৃত্যু হয়। একইভাবে ২০১০ সালেও ৩টি খুনের ঘটনা ঘটে। এ তালিকায় সবশেষ ২০১৬ সালে যুক্ত হয় দিয়াজ ইরফানের নাম। কিন্তু ৩ বছরেও এ মামলায় চার্জশিট দেয়া হয়নি।
নিহত দিয়াজের বোন জুবাঈদা ছরওয়ার নিপা বলেন, ‘গত তিন বছরে দিয়াজের মামলার চার্জশিট আসেনি। আমরা মোটামুটি হতাশার পর্যায়ে চলে গিয়েছি। কিন্তু আবরারের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতা দেখে মনে হয় তিনি সদয় হলে আমরাও বিচার পাব। সব ছাত্র হত্যার বিচার আমরা চাই।’
শিক্ষাবিদ আবুল মোমেনের মতে, বিচারহীনতার সংস্কৃতি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দুর্বৃত্তদের দাপট বাড়ছে। এ অবস্থায় দুর্বৃতায়ন বন্ধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত বিচার আইনেই করা দরকার।
শিক্ষাবিদ আবুল মোমেন বলেন, ‘প্রত্যেকে সবার ক্ষমতা ধরে রাখতে কিছু কিছু জিনিস দমিয়ে রাখে। আবরার হত্যার পরে মানুষের বিবেকে আঘাত লেগেছে। এটাকে কেন্দ্র করে দ্রুত বিচারের যদি ব্যবস্থা করা যায়।’
এ ১৬টি হত্যাকাণ্ড ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিপত্য নিয়ে নগরী এবং জেলার বিভিন্ন স্থানে আরও অন্তত ৫টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। যেগুলোরও কোনো বিচার হয়নি।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop