ksrm

স্বাস্থ্যজরায়ু মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায়

সময় সংবাদ

fb tw
জরায়ু মুখের ক্যান্সার কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়? এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় ক্যান্সার ইনস্টিউট ও হাসপাতালের ক্যান্সার ইপিডেমিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন।
জরায়ু মুখের ক্যান্সার কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়?
যেকোনো ক্যান্সারের প্রতিরোধের কিছু স্তর আছে। জরায়ু মুখের ক্যান্সারের তেমনই কিছু স্তর আছে। প্রাথমিক প্রতিরোধ, দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রতিরোধ এবং টাসিয়ারি রিভেনশন প্রতিরোধ।
প্রাথমিক প্রতিরোধ নিয়ে মানুষের মধ্যে কিছু সন্দেহ সৃষ্টি হয়। অনেকে মনে করেন প্রাথমিক পর্যায়ে জরায়ু মুখের ক্যান্সারের হচ্ছে ক্যান্সার ছোট থাকে বা অল্প থাকলে। আসলে সেই ধারনাটা ভুল। প্রাথমিক প্রতিরোধ হলো ক্যান্সার হওয়ার আগে যা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
বিভিন্ন কারণে জরায়ু মুখে ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ভাইরাসের কারণ। ভাইরাসের নাম হলো এইচ ডব্লিউ পি। এই ভাইরাস আক্রান্ত হলেও সব কিন্তু ক্যান্সার না। তবে এমন ভাইরাস দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। না হলে সমস্যা তৈরি হতে পারে। এছাড়া অন্যান্য কারণেও জরায়ু ক্যান্সার হতে পারে।
যেমন বাল্যবিবাহ, অল্প বয়সে বিয়ে হলে (১৮ বছরের নিচে) বা যৌন মিলন করে থাকলে, বা ঘন ঘন সন্তান হওয়া, ব্যক্তিগত অপরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব এসবই এর প্রধান কারণ - যা সচেতন হলে অনেকাংশেই প্রতিরোধ করা সম্ভব।
অপুষ্টি নিয়ে যদি কেউ জন্মগ্রহণ করে। বিভিন্ন রোগ জীবাণু দ্বারা জরায়ু বার বার আক্রান্ত হলেও জরায়ু ক্যান্সারের সম্ভাবনা বেশি থাকে, যেমন - হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস এবং হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস। আর এইগুলো হলো প্রাথমিক প্রতিরোধের প্রথম পর্যায়ের পদক্ষেপ।
দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রতিরোধের উপায় হলো এখন বাংলাদেশসহ পৃথিবীর সব জায়গায় এর ভ্যাকসিন পাওয়া যায়। ঢাকার গাজীপুরে গত ২ বছরে ৩৩ হাজার নারীকে বিনা পয়সায় ইপিআই এর মাধ্যমে এই ভ্যাকসিন দেয়া হয়ে গেছে। জরায়ু মুখে ক্যান্সারে আক্রান্ত না হয় সেই জন্য ৯-১৫ বছর বয়সের মধ্যে মেয়েদের এই টিকা দেয়া উচিত।
রোগের চিকিৎসার পরিবর্তে প্রতিরোধ অর্থাৎ রোগটা হতে না দেওয়া হলো বুদ্ধিমানের কাজ। যদিও সকল রোগের ক্ষেত্রে প্রতিরোধ সম্ভব হয় না, তবে জরায়ু-মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। কারণ ডাক্তার অথবা স্বাস্থ্যকর্মী সহজেই জরায়ু-মুখ দেখতে এবং পরীক্ষা করতে পারেন। ক্যান্সার পূর্ব অবস্থা ধরা পড়লে সামান্য চিকিৎসার মাধ্যমে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। এক্ষেত্রে জরায়ু ফেলে দেবার প্রয়োজন হয় না এবং চিকিৎসার পরও সন্তান ধারণ সম্ভব। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যে পদ্ধতিতে জরায়ু মুখের ক্যান্সার পূর্ব অবস্থা শনাক্ত করা হয় তাকে ভায়া বলে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop