ksrm

শিক্ষা সময়সূর্যসেন হলের কথিত বড় ভাই, কে এই অভি?

সময় সংবাদ

fb tw
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে, গেস্ট রুমের নামে নির্যাতন ও র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ সাধারণ ছাত্রদের। এ বছরের শুরুর দিকে মাস্টারদা সূর্যসেন হলের একটা অডিও ক্লিপ থেকে এর সত্যতাও মিলেছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, কথিত বড় ভাইদের কথা না শুনলে গেস্ট রুমে ডেকে নিয়ে নানাভাবে তাদের হেনস্থা করা হয়। কখনো কখনো শারীরিক নির্যাতনও হয়। সূর্যসেন হলের ঘটনায় অভিযুক্ত এক ছাত্রলীগ কর্মী বললেন, ছোটদের আদব কায়দা শেখাতেই তারা গেস্ট রুম করান। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস প্রশাসনের।
মাস্টারদা সূর্যসেন হল। অভিযোগ আছে, অন্যান্য হলের মতো এ হলেও গেস্টরুমের নামে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। হলের ভেতরে পাওয়া গেল কয়েকটি অন্ধকারচ্ছন্ন কক্ষ। যেগুলোতে থাকছেন গণরুমের ছাত্ররা।
সূর্যসেন হলের গেস্টরুমে কথিত বড় ভাইদের শাসনের অডিওতে শোনা গেছে, ও আমারে দেখে পিছনে ফিরে গেছে। মার ওরে মার। ক্যাম্পাসে তোর বড় ভাই বন্ধু থাকলে জিজ্ঞেস করিস সূর্যসেন হলের অভি কে। ওরে মার।
ভুক্তভোগী একজন শিক্ষার্থী বর্ণনা করছিলেন সেদিনের ঘটনা। বলছিলেন কীভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে তাদের বাধ্য করা হয়।
ভুক্তভোগী একজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘স্ট্যাম্প এনে বসতেন। গালমন্দতো করতো সেটা ভিন্ন হিসাব। রাতে হল থেকে বের করে দিত। পুরো রাত হলের বাইরে থাকতে হতো।’
গেস্ট রুমের যে অডিও ক্লিপটি পাওয়া গেছে। তাতে বারবার উঠে এসেছে একটি নাম। আরাফাত হোসাইন অভি। পদে না থাকলেও দ্বিতীয় বর্ষের অভি ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশী। শুধু এ ঘটনা নয়, তার বিরুদ্ধে সাধারণ ছাত্রদের নির্যাতনের আরও কয়েকটি অভিযোগ আছে। গেস্ট রুম করানোর কথা স্বীকার করলেও তার মতে এটা কোনো অপরাধ নয়।
অভি বলেন, ‘দেখি ওরা কীভাবে চলে ফেরে। ওদের কোনো সমস্যা থাকলে সেটা সমাধান করি। তবে কাউকে মারা হয়নি।’
শুধু সূর্যসেন হল নয়, জিয়া হলে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী এক ছাত্র সময় সংবাদকে জানান, অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তিনি হল ছেড়েছেন। থাকতেন জিয়া হলের ১১০ নম্বর কক্ষে। যে কক্ষটিকে শিক্ষার্থীরা নাম দিয়েছেন ‘আবু গারিব’।
ভুক্তভোগী আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা বিড়ালের মত নিচের দিকে তাকি বসে থাকতাম। ওরা খাটের উপর বসে থাকে কাউকে লাথি, কাউকে চড়, কাউকে থাপ্পড় দিতে থাকে।’
সূর্যসেন হলের প্রাধ্যক্ষ দেশের বাইরে অবস্থান করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে জিয়া হলের প্রাধ্যক্ষ তার হলের ঘটনা স্বীকার না করলেও বলছেন, ‘লেজুড়ভিত্তিক ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করাই এর একমাত্র সমাধান।’
জিয়া হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জিয়া রহমান বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি ভিকটিম সাধারণ ছাত্ররা।  লেজুড়ভিত্তিক ছাত্র রাজনীতির সলিল সমাধি হওয়া উচিত।’
শুধু এ সরকারের আমলেই নয়। আগেও ক্ষমতসীন ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ ছিল।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop