ksrm

মহানগর সময়অবশেষে বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

সময় সংবাদ

fb tw
অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে অনুষ্ঠিত হলো বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা। তবে কাটেনি উৎকণ্ঠা। দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠকে সন্ত্রাসমুক্ত দেখতে চান ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীরা। আর সন্তানের পড়ালেখার নিশ্চিত ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশের প্রত্যাশা অভিভাবকদের। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের জন্য দুই শিফটে ১২ হাজার ১৬১ জন শিক্ষার্থী ভর্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
এদিকে, বুয়েটের ভিসি ড. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, হলে হলে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অবশেষে বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা। সব উৎকণ্ঠা কাটিয়ে সোমবার সকাল নয়টায় শুরু হয় পরীক্ষা। তবে এর প্রায় দুই ঘণ্টা আগে থেকেই আসতে শুরু করেন পরীক্ষার্থী আর অভিভাবকরা।
এক হাজার ষাট টি সিটের বিপরীতে এবারে ভর্তি পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ১২ হাজার ১৬১ জন। সকালে নয়টি কেন্দ্রে ও বিকেলে একটি কেন্দ্রে হবে পরীক্ষা।
এদিকে ভেতরে যখন ভর্তি যুদ্ধে সন্তানেরা, বাইরে অপেক্ষমান অভিভাবক সময় কাটাচ্ছেন পত্রিকায় চোখ বুলিয়ে। আর সেসব সংবাদ মাধ্যমের শিরোনামে যখন আবরার তখন বাড়তি উৎকণ্ঠাতো থাকবেই।
এক অভিভাবক বলেন, এই পর্যন্ত আসতে, অনেক বাবা- মায়ের অনেক কিছু ত্যাগ করতে হয়েছে। তার পরে যদি এইখানেই অভিভাবকরা তাদের ছেলে -মেয়ের হারায়, তাহলে বেদনার সীমা থাকে না।
তবুও বুয়েট তাইতো ভরসা, অস্থিরতা কাটিয়ে উঠবে দেশসেরা এই প্রতিষ্ঠান।
এক অভিভাক বলেন, গুটি কয়েক ছাত্রের অপকর্মের কারণে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেজ নষ্ট হোক। পুরো ছাত্র সমাজের বদনাম হোক এটা আমরা চাইনা।এদিকে সবগুলো কেন্দ্র ঘুরে ভিসি সন্তুষ্টি জানান পরীক্ষার পরিবেশ নিয়ে। কথা বলেন চলমান আন্দোলন নিয়েও।
ভিসি বলেন, শিক্ষার্থীরা ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য তারা রাজি হয়েছে বলেই, আমরা পরীক্ষা নিতে পেরেছি। আমার বিশ্ব ওরা আমার বাকি কথাগুলো শুনবে। এবং সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা যা করতে পারছি, করছি। আমরা আরো কয়েকটি কমিটি করছি, যারা বিভিন্ন ভাবে কাজ করবে।
এদিকে ঘড়ির কাটায় বারোটার পর থেকেই একে একে বের হতে থাকে পরীক্ষার্থীরা। প্রশ্নপত্র নিয়ে ছিলো মিশ্র প্রতিক্রয়া, তবে প্রত্যাশার কথা ছিল একই, স্বপ্নের বুয়েট, র‌্যাগিংমুক্ত বুয়েট।
এক শিক্ষার্থী বলেন, আমি এমন বুয়েট দেখতে চাই। যেখানে ছাত্ররা তাদের অধিকার পাবে। এবং র‌্যাগিং মুক্ত ক্যাম্পাস থাকবে।
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, রাজনীতি মুক্ত ক্যাম্পাস চাই। তবে ভালো কিছু অধিকারের জন্য আন্দোলন চলতেই পারে। 
ক্যাম্পাসে শুকনো খাবার আর পানি দিয়ে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহায়তা করছেন বর্তমান শিক্ষার্থীরা। ৫ নভেম্বর ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের কথা রয়েছে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop