ksrm

বিনোদনের সময়মিস্টার বিন বাবা হয়েছিলেন ৬২ বছরে, প্রথম স্ত্রী ছিলেন ভারতীয়

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
রোয়ান সেবাস্তিয়ান অ্যাটকিনসন। দুনিয়া তাকে মিস্টার বিন নামেই চেনে। ১৯৫৫ সালে ইংল্যান্ডে জন্ম অ্যাটকিনসনের। চার ভাইয়ের মধ্যে সবচেয়ে ছোট ছিলেন তিনি। পড়াশোনাতে খুব মেধাবী ছিলেন। নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটি থেকে ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং করেন। কিন্তু থেমে থাকেননি তিনি। এরপর ১৯৭৫ সালে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ।তার গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয় ১৯৭৮ সালে।
মেধাবী ছাত্রের কমেডিতে আসা নেহাতই গল্পের মতো। মন দিয়ে তার রিসার্চ পেপারের কাজ করছিলেন তিনি। কখনও ভাবেননি যে ইঞ্জিনিয়ার থেকে শেষমেশ কমেডিয়ান হয়ে উঠবেন।
অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের একটি কমেডি দল ছিল। একবার অ্যাটকিনসনকে তারা একটি শো’র জন্য বেছে নিয়েছিল। অ্যাটকিনসনের কাজ ছিল সেই শো-এর জন্য স্ক্রিপ্ট লেখা আর কমেডি ছবি আঁকা। একটা লাইনও লেখেননি অ্যাটকিনসন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের মুখটাকেই বিকৃত করে স্কেচ বানিয়েছিলেন। সেটাই পরে মিস্টার বিন হয়ে যায়।
এ রকম আরও ঘটনা ঘটেছে তার জীবনে। না জেনেই যেমন নিজের বিকৃত মুখের ছবি এঁকেই তিনি মিস্টার বিন হয়ে গিয়েছিলেন, তেমন না জেনেই পরিস্থিতির শিকার হয়ে একবার রিয়েল লাইফ পাইলটের ভূমিকাও পালন করতে হয়েছিল তাকে।
সেটা ছিল ২০০১ সালে। ব্যক্তিগত বিমানে কেনিয়ায় ছুটি কাটাতে যাচ্ছিলেন তিনি। মাঝ আকাশেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন পাইলট। বাধ্য হয়ে অ্যাটকিনসনকেই পাইলটের আসনে বসতে হয়। যতক্ষণ না পাইলটের জ্ঞান ফেরে মাঝ আকাশে বিমান চালিয়েছিলেন তিনিই।
অ্যাটকিনসেনর ভারতীয় যোগও রয়েছে। তার প্রথম স্ত্রী সুনেত্রা শাস্ত্রীর বাবা ভারতীয়। মা ব্রিটিশ। সুনেত্রা ভীষণ সুন্দরী একজন মেকআপ আর্টিস্ট ছিলেন। ১৯৮৭ সালে বিবিসির একটি সেটে অ্যাটকিনসনের সঙ্গে তার পরিচয়।
সুনেত্রাকে দেখেই তার প্রেমে পড়েছিলেন অ্যাটকিনসন। সুনেত্রা ছিলেন তার সহ-অভিনেতার মেকআপের দায়িত্বে। জানা যায়, সুনেত্রার সঙ্গে কথা বলার জন্য অ্যাটকিনসন তার সহ অভিনেতাকে রাজি করিয়ে অন্য মেকআপ আর্টিস্টের কাছে পাঠিয়েছিলেন আর নিজে সুনেত্রার তত্ত্বাবধানে।
দু’জনে ডেট করতে শুরু করেন। তিন বছর পর বিয়ে। সুনেত্রা ও অ্যাটকিনসনের দুই সন্তান, এক ছেলে এক মেয়ে। সব ঠিকই চলছিল। কিন্তু বিয়ের ২০ বছর পর থেকে দু’জনের সম্পর্কে চিড় ধরতে থাকে।
সুনেত্রার বারবারই মনে হত, তার স্বামী তার কাছ থেকে কিছু লুকোচ্ছেন, তাকে ঠকাচ্ছেন। এই নিয়ে দু’জনের মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকত। তখন ৩১ বছরের কমেডি অভিনেত্রী লুইস ফোর্ডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে অ্যাটকিনসনের। অ্যাটকিনসনের বয়স তখন ৬০ বছর।
তা প্রকাশ্যে আসার পর স্ত্রী সুনেত্রা বিয়ের ২৫ বছর পর ২০১৪ সালে ডিভোর্সের আবেদন করেন। ২০১৫ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। অ্যাটকিনসনের মেয়ে লিলি বাবার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখেননি। এমনকি নিজের পদবীও শাস্ত্রী রেখেছেন তিনি। এর দু’বছর পর ৬২ বছর বয়সে ফের বাবা হন অ্যাটকিনসন। লুইস ফোর্ডের বয়স তখন ৩৩ বছর মাত্র।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop