ksrm

বাণিজ্য সময়প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চায় সরকার

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা ধরে রাখা ও এর সুফল সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চায় সরকার। তবে সমাজের নিম্নবিত্তের মানুষের সুরক্ষা দিয়ে দারিদ্র্য বিমোচনকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হবে বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। টেকসই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাকে চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।
বিশ্বের ১৮৮ দেশের অর্থনীতি পর্যালোচনা করে বৈশ্বিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফ। প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। যদিও সরকারের প্রাক্কলন ৮ দশমিক ২ শতাংশ। গেল অর্থ বছরেও হয়েছে ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। সারাবিশ্বে যেখানে প্রবৃদ্ধি কমছে সেখানে সংস্থাটি পূর্বাভাস দিয়েছে ২০২০ সালে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হবে বাংলাদেশের। এর ধারাবাহিকতা থাকবে ২০২৪ সাল পর্যন্ত। কয়েকদিন আগে বিশ্বব্যাংক, এডিবির মত বৈশ্বিক সংস্থা ইতিবাচক পূর্বাভাস দিয়েছে তাদের প্রতিবেদনে। তবে, অর্থনীতিতে সাফল্যের ঢেকুর তুলে আত্মতুষ্টিতে ভুগতে চায়না সরকার। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি প্রবৃদ্ধির সুফল সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জন করতে তাই সেসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায়।
পরিকল্পনামন্ত্রী এম মান্নান সময় সংবাদকে বলেন, সাফল্য দেখে যেন আমাদের মাথা ঘুরে না যাই। তাই আমাদের ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে হবে। বেসরকারি খাত ও কৃষক শ্রমিক আছে। তাদের ন্যয় বিচার দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। দরিদ্র্য আমাদের দেশের দুর্বলতা সেটাকে আঘাত করে আমরা ভালো ফল পেয়েছি। আরও জোরালো আক্রমণ করব।
অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি অর্জনে আছে শঙ্কা, আছে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করতে না পারলে বাজেট বাস্তবায়নে হিমশিম খেতে হয়। তাই শঙ্কা থেকে যায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখা। পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, দুর্নীতি ও অর্থপাচারের মতো ঘটনা রোধ করতে না পারলে স্লথ হয়ে যেতে পারে অর্থনীতির স্রোতধারা।
অর্থনীতিবিদ ড. আহসান সময় সংবাদকে এইচ মনসুর বলেন, ব্যক্তিখাতে ঋণের প্রবাহ ক্রমান্বয়ে কমছে। সরকারি ঋণের ব্যবহার বাড়ছে যেটা কাম্য নয়। সরকার যদি রাজস্ব আদায় করতে না পারে তাহলে এসব প্রকল্প আস্তে আস্তে থেমে যাবে।
বিশ্লেষকদের মতে, টেকসই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দিতে হবে। পাশাপাশি বিশ্ববাণিজ্য ও আঞ্চলিক বাণিজ্য বাড়াতে হবে বাংলাদেশকে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop