ksrm

আন্তর্জাতিক সময় আসামে সেই দুলালের লাশ নিতে চায় না পরিবার

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
১৯৬৫ সাল থেকে আসামে বসবাস করার পরেও দুলাল চন্দ্র পালকে 'বাংলাদেশি' বলে নেয়া হয়েছিল ডিটেনশন ক্যাম্পে। সেখানেই শারীরিক এবং মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছে তার। এখন দুলাল চন্দ্র পালের মৃতদেহ নিয়ে ঘটেছে বিপত্তি। মৃতদেহ গ্রহণে আপত্তি জানিয়েছে তার পরিবার। বাংলাদেশি ঘোষণা করা ওই ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিতে বলছেন পরিবারটির সদস্যরা; আর প্রশাসন চায় পরিবারই নিয়ে যাক তার মৃতদেহ।  
ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, রোববার( ১৩ অক্টোবর) আসামের গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় শোণিতপুরের আলিসিঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা দুলালচন্দ্র পালের (৬৫)।  শোণিতপুর জেলার তেজপুরে ডিনেটশন ক্যাম্পে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়েন দুলাল। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুলালের মৃত্যুতে রাস্তা অবরোধ করেন ১০ হাজারের বেশি মানুষ, তারপরই তদন্তের নির্দেশ দেয় আসাম সরকার। 
দুলালচন্দ্র পালের ছেলে অশোক পাল বলেন, 'যদি আমার বাবাকে ভারতের নাগরিক ঘোষণা করা হয় তবেই আমরা তার মৃতদেহ গ্রহণ করব।' তিনি আরও বলেন, 'কোনও বাংলাদেশির মৃতদেহ আমরা গ্রহণ করব না। তিনি আমার বাবা। বাংলাদেশি হিসেবে নাম ঘোষণা করা আমার বাবাকে ভারতের নাগরিক হিসেবে ঘোষণা করতে সরকারকে অনুরোধ করব।'  দুলালের আরেক ছেলে আশিস বলেন, 'রাজ্য সরকার যেহেতু তাকে বিদেশি বলে ঘোষণা করেছে, ফলে তার দেহ বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়া উচিত।'
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০১৭ সালে দুলালচন্দ্র পালকে বিদেশি বলে ঘোষণা করা হয়, মানসিকভাবে অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও তাকে বিদেশি বলে ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এদিকে মৃতদেহ ফিরিয়ে নিতে পরিবার ও গ্রামবাসীদের রাজি করানোর জন্য গত চারদিন ধরে তার বাড়িতে একাধিকবার প্রতিনিধি পাঠিয়েছে রাজ্য সরকার, এখনও পর্যন্ত অনুরোধে সাড়া দেননি তারা। শোণিতপুরের ডেপুটি কমিশনার মানবেন্দ্র প্রতাপ সিং বলেন, 'তাকে বিদেশি ঘোষণা করেছে ট্রাইবুনাল, ফলে তাদের দাবি নিয়ে আলোচনা করা প্রশাসনের আওতার বাইরে। যদি তারা ট্রাইবুনালের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে যেতে চান, আমরা তাকে আইনিভাবে সাহায্য করতে পারি। আমরা এই বিষয়টিতে উন্নতি চাই।' 
এদিকে পরিবার এবং গ্রামবাসীদের দাবি, মৃতদেহ ফিরিয়ে দিতে সঙ্গে একটি নথি নিয়ে আসেন কর্মকর্তারা সেখানে তাকে বিদেশি বলে ঘোষণা করা হয়েছে এবং ঠিকানার জায়গা ফাঁকা রাখা হয়েছে। দুলালের আরেক  ছেলে আশিস বলেন, 'তারা খুব ভালভাবেই ঠিকানা জানতেন, তারপরও জায়গাটি খালি রাখা হয়েছে। আমাদের মনে হয়, তারা বাংলাদেশের কোনও ঠিকানা দিতে পারতেন। যদি তিনি বাংলাদেশিই হন, কেন আমাদের কাছে আনা হয়েছে?' 
গত ৩১ আগস্ট আসামের নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত তালিকায় পরিবারের অন্য সদস্যদের নাম অন্তর্ভুক্ত থাকলেও ১৯ লাখেরও বেশি মানুষের সঙ্গে তালিকা থেকে বাদ পড়েন দুলাল।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop