ksrm

মহানগর সময়কেন্দ্র থেকে তৃণমূল, অনিয়মের হোতা ওমর ফারুক

সময় সংবাদ

fb tw
কেন্দ্র থেকে তৃণমূল, সব জায়গায় গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করে স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে ৬ বছর ধরে যুবলীগের কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী। কার্য নির্বাহী বা প্রেসিডিয়াম বৈঠকও হতো তার খেয়াল খুশি মতো। এমনকি ৩ বছরের কেন্দ্রীয় কমিটি যেমন অর্ধযুগ পার করেছে, তেমনি মাত্র ৩ মাসের চট্টগ্রামের আহবায়ক কমিটি দায়িত্ব পালন করছে প্রায় ছয় বছর ধরে।
এ অবস্থায় ক্যাসিনো কেলেঙ্কারী, টেন্ডার বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের কবলে পড়ে চরম ইমেজ সংকটের মুখে পড়েছে যুবলীগ।
তৃণমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত-যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে অভিযোগের যেন শেষ নেই। নেতাদের অভিযোগ, সংগঠন পরিচালনায় যেমন তিনি স্বেচ্ছাচারিতার পরিচয় দিয়েছেন, তেমনি প্রশ্রয় দিয়েছেন অনিয়মের সাথে সম্পৃক্তদেরও।
গত এক মাস ধরে চলা দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে ওমর ফারুকের অনুসারী হিসাবে পরিচিত ইসমাইল হোসেন সম্রাট, খালেদ ভূইয়া, জি কে শামীম, কাজী আনিসুল হকের নাম উঠে আসায় চরম ইমেজ সংকটে পড়েছে যুবলীগ।
এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য রঞ্জিত বড়ুয়া লাভু বলেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের মেয়াদ ছিলো ৩ বছর। সে জায়গায় উনারা ৭ বছর অতিক্রম করছে। এটাও তো একটা অনিয়ম। এ অনিয়ম পুরা বাংলাদেশে বিদ্যমান।
চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ফরিদ মাহমুদ বলেন, যারা ক্যাসিনো ও অন্যায় কাজের সাথে জড়িত তাদের বিষয়ে জানতে পেরে আমরা নিজেরাও অবাক। 
শুধু রাজধানী ঢাকা নয়। বন্দরনগরী চট্টগ্রামসহ সারা দেশের যুবলীগে ছিলো ওমর ফারুকের অনুসারীদের লাগামহীন নিয়ন্ত্রণ। বিশেষ করে টেন্ডার বাণিজ্য এবং চাঁদাবাজির জন্য যুবলীগের এ অংশটিকে দায়ী করছে নেতৃত্বের বাকি অংশ।
চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের আহবায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু জানান, অবৈধ কাজে লিপ্ত এ ব্যক্তিরা আমাদের সংগঠনকে আঘাত করেছে। প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তাদেরকে দল থেকে বের করে দিতে হবে।
সংগঠনের গঠণতন্ত্র মানার ক্ষেত্রেও ওমর ফারুকের ছিলো চরম অনীহা। বিশেষ করে কার্যনির্বাহী কিংবা প্রেসিডিয়াম সদস্যদের বৈঠক ছিল অনিয়মিত। চেয়ারম্যান ওমর ফারুকের ইচ্ছা অনুযায়ী এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত কিংবা সিদ্ধান্ত নেয়া হতো বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আলতাফ হোসেন বাচ্চু বলেন, প্রতিনিয়ত কার্যনির্বাহী কিংবা প্রেসিডিয়াম সদস্যদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে অনেক সমস্যাই সমাধান করা যেতো। 
গত ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে হঠাৎ করে দুর্নীতি বিরোধী অভিযান শুরু করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। এর আওতায় ঢাকায় সন্ধান মেলে একাধিক ক্যাসিনো এবং জুয়ার আসরের। এমনকি অভিযানে আটক ব্যক্তিদের বাসা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে কোটি কোটি টাকাও উদ্ধার করা হয়। আর পুরো অনিয়মের সাথে জড়িয়ে পড়ে যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop