ksrm

আন্তর্জাতিক সময়পাক-ভারত গুলি বিনিময়, কাশ্মীরে উত্তেজনা

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে পাক ও ভারতীয় সেনাদের পাল্টা গোলাগুলিতে উত্তপ্ত কাশ্মীর। ভোরে জম্মু-কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখায় পাকিস্তানের সেনাদের গুলিতে দুই ভারতীয় সেনা ও এক বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
জবাবে আজাদ কাশ্মীরের নিলাম উপত্যকায় পাল্টা হামলা চালায় ভারতীয় সেনারা। এতে চার জঙ্গি আস্তানা গুঁড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি অন্তত পাঁচ পাক সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ভারত।
তবে পাকিস্তানের দাবি ভারতীয় সেনাদের হামলায় ৬ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়।
রোববার ভোরে জম্মু-কাশ্মীরের কুয়াপাড়া জেলার সীমান্ত এলাকায় থেমে থেমে গুলি ছুঁড়ে পাক সেনারা। সীমান্তের অপর প্রান্ত থেকে গোলাবর্ষণে দুই ভারতীয় সেনাসহ এক বেসামরিক নাগরিক ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
একই সময় সীমান্তে ঘেঁষা তাংধার সেক্টরেও বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে দাবি স্থানীয় প্রশাসনের। হামলায় কয়েকটি বাড়ি-ঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভারতীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে, কোন কারণ ছাড়াই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে সীমান্তে গুলি চালিয়েছে পাক সীমান্তরক্ষীরা।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২৯২ বার যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘনের খবর পাওয়া গেছে। নিয়ন্ত্রণ রেখায় পাক ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে প্রায়ই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এমন পরিস্থিতিতে জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তারা বলছেন, পাকিস্তানের সীমান্ত থেকে আমাদের এখানে গুলি ও মর্টার হামলা চালানো হয়। এসময় সময় সন্তানদের নিয়ে লুকানোর জায়গা খুঁজে পাই না। জীবনের ঝুঁকি এভাবেই থাকতে হচ্ছে।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা বলছেন, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ভারী অস্ত্র দিয়ে নিয়ন্ত্রণ রেখায় গুলি চালিয়ে থাকে পাক সেনারা।
ভারতের সেনা কর্মকর্তা সন্ধীপ জাসওয়াল বলেন, পাকিস্তান কতবার যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে হামলা চালিয়েছে তা সঠিকভাবে বলা মুশকিল। তারা অনেক সময় কামান দিয়ে এখানকার গ্রামবাসীদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে সীমান্তে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে, জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর রাজ্যের নেতা-কর্মীদের আটকের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে যুক্তরাজ্যেভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টরন্যাশনাল।
জম্মু-কাশ্মরের নানা পেশা-জীবিদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, বিনা কারণে রাজনৈতিক ও সাধারণ মানুষদের আটকে রাখায় মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। আটকৃতদের দ্রুত মুক্তি দিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনটি।
৩৭০ ধারা রদের পর কোন বিক্ষোভ সমাবেশের অনুমতি না দেয়ার বিষয়ে রাজ্যের পুলিশ প্রধান দিলবাদ সিং জানিয়েছেন, সামগ্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সভা-সমাবেশের অনুমতি মিলবে না। উপত্যকায় শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এমন সিদ্ধান্ত সাময়িক সময়ের জন্য বহাল থাকবে বলে জানান তিনি।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop