ksrm

আন্তর্জাতিক সময়কুর্দিদের পাশে দাঁড়ালো সিরীয় সেনারা

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
সিরিয়ার মানবিজে প্রস্তাবিত সেফজোনে থেকে সরে যাওয়ার জন্য কুর্দিদের হাতে আর এক দিন সময় আছে। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) সকালের মধ্যে বর্তমান অবস্থান ছেড়ে না গেলে কুর্দি যোদ্ধাদের মাথা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোয়ান।
তুর্কি প্রেসিডেন্টের এ-হুমকির মধ্যেই সীমান্তে কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে সিরিয়ার সরকারি বাহিনী। কুর্দি অঞ্চলে সিরীয় সেনাদের উপস্থিতির বিষয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন এরদোয়ান।
পাশাপাশি উড়ছে সিরিয়া এবং কুর্দি বাহিনীর পতাকা। মাত্র ক'দিনের ব্যবধানেই দীর্ঘদিনের শত্রুতা ভুলে, মিত্রতার বন্ধনে কুর্দি এবং সিরীয় সেনা সদস্যরা। তুরস্কের সীমান্তবর্তী শহর কোবানে কুর্দিস পিপল'স প্রটেকশন ইউনিট- ওয়াইপিজি যোদ্ধাদের সঙ্গে শনিবার যোগ দেয় কয়েশ' সিরীয় সেনা। সিরিয়ার সীমান্ত রক্ষায় একযোগে কাজ করবে বলে জানায় তারা।
সিরীয় সেনারা বলছেন, কুর্দিরা এই এলাকা দীর্ঘ পাঁচ বছর নিয়ন্ত্রণ করেছে। আমরা এখন তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। যত যা-ই হোক শেষ পর্যন্ত তারা সিরীয়। তাই তাদের রক্ষার দায়িত্ব আমাদের।
ওয়াইপিজি যোদ্ধারা বলছেন, তুর্কি সেনারা আমাদের ওপর আক্রমণ করেছে। তাই সীমান্ত রক্ষায় আমরা এবং সরকারি বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবো।
তুরস্কের বিরুদ্ধে লড়তে যখন সিরীয় এবং কুর্দি বাহিনী একাট্টা, ঠিক তখন আবারো কুর্দিদের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোয়ান। শনিবার এক জনসভায় ভাষণে তিনি বলেন, বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যেই কুর্দিরা প্রস্তাবিত নিরাপদ অঞ্চল ত্যাগ না করলে তাদের হটানোর পরিকল্পনা তৈরি রয়েছে। ওই অঞ্চলে সিরীয় সেনা উপস্থিতির বিষয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানান তিনি।
রিসেপ তাইপ এরদোয়ান বলেন, এরইমধ্যে যুদ্ধবিরতির অনেকটা সময় পার হয়ে গেছে। সন্ত্রাসীরা এলাকা না ছড়লে তাদের মাথা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। আপনারা জানেন আমাদের অভিযানের এলাকায় এরইমধ্যে সিরীয় সেনারা প্রবেশ করেছে। যেহেতু তারা রাশিয়ার সুরক্ষায় রয়েছে, তাই আমি এ বিষয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথা বলবো। তাতেও কোন সমাধান না আসলে আমাদের নিজেদের পরিকল্পনা মতোই আমরা এগোবো।
প্রেসিডেন্ট এরাদোয়ান যুদ্ধবিরতির কথা বললেও, শনিবার দ্বিতীয় দিনেও সিরিয়ার তুর্কি সীমান্তের বহু স্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে হামলা অব্যহত রেখেছে তুরস্ক। তবে অধিকাংশ এলাকাতেই হামলা বন্ধ থাকায় সেখান থেকে নিরাপদ স্থানে সরে যাচ্ছে স্থানীয়রা। অনেক জায়গায় বাসিন্দাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছে তুর্কি সেনারা।
তবে তুরস্কের কুর্দিবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ অব্যাহত রেখেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত কুর্দিরা। শনিবার জার্মানির কোলনে রাস্তায় নামে প্রায় পাঁচ হাজার কুর্দি। তারা তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি, অবিলম্বে অভিযান বন্ধের দাবি জানায়।
তারা বলছেন, তুরস্ক এবং প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান সন্ত্রাসী, সমগ্র বিশ্বকে এটা জানাতেই আমরা এখানে জড়ো হয়েছি।
রাজনীতিকরা কেবল যুদ্ধবিরতি নিয়েই আলোচনা করেন। কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তার জন্য সেখানে স্থায়ী সমাধান করতে হবে।
তুরস্কবিরোধী বিক্ষোভ করেছে ফ্রান্সের কুর্দিরাও। তুরস্কে বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের অভিযোগ করে তারা অবিলম্বে তুর্কি অভিযান বন্ধের পদক্ষেপ নিতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop