ksrm

তথ্য প্রযুক্তির সময়কেমন হবে ৫০ বছর পরের পৃথিবী

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
এখন থেকে ৫০ বছর পর কেমন হবে পৃথিবী তা নিয়ে সাধারণের যেমন কৌতুহল রয়েছে, তেমনি ব্যাপক অনুসন্ধিৎসু বিজ্ঞানী ও গবেষকদের।
মানুষ কেমন শহরে থাকবে, কী খাবে, কী ধরনের কোম্পানিতে কাজ করবে- নানান ধরণের ২৪ প্রশ্ন জানতে চাওয়া হয়েছিল। বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক, লেখক, অ্যাক্টিভিস্ট, রেড ক্রসের কর্মী, ট্রান্সহিউম্যানিস্ট, বিভিন্ন স্টার্টআপের উদ্যোক্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ২০ জন জানিয়েছেন তাদের ভাবনার কথা। 
এদের বেশিরভাগই ভবিষ্যতের চোখে দেখেছেন ৫০ বছরের পরের বিশ্বকে। তাদের অনেকে বিশ্বাস করেন এবং অনেকের কাছে মনে হয়েছে প্রযুক্তিই নিয়ন্ত্রণ করবে আগামীর দিনগুলো। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির একটা বড় অংশে নেতৃত্ব দেবে। জীবন হয়ে উঠবে প্রযুক্তিময়। তবে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাত্রা নিয়ে মতভেদ রয়েছে প্রযুক্তিবিদদের মধ্যে।
পৃথিবী কার নিয়ন্ত্রণে থাকবে এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রান্স হিউম্যানিস্ট জলটান স্টেভেন বলেন, পৃথিবী নিয়ন্ত্রণ করবে এআই নেটওয়ার্ক ও কোয়ান্টাম ইন্টেলিজেন্স।
ইউরেশিয়া গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ইয়ান ব্রেমারের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের হাতেই থাকবে সব ক্ষমতা। তবে চীনের অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বিশাল হবে। তাদের সঙ্গে সমঝোতা করেই বাকি দেশগুলোকে টিকে থাকতে হবে। যুদ্ধ লেগে যাওয়াও অস্বাভাবিক নয় বলে শঙ্কার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটি অব রেড ক্রসের প্রেসিডেন্টের মতে, কোনো একটি দেশের হাতে সব কর্তৃত্ব থাকবে না। দেশ, বহুজাতিক কোম্পানি, মেগাসিটি ও সংস্থাগুলো একত্রে নিয়ন্ত্রিত হবে। তবে এর মানে এই নয় সবারই মতামত মেনে নেওয়া হবে।
সি-সো ফিল্মের সহপ্রতিষ্ঠাতা ইমিল শেরমানের মতে, ৫০ বছর পর জিনিসপত্রের দাম অনেক কমে যাবে। সমাজকে কিছু দিতে পারলে মানুষ সেটাকেও আয় হিসেবে বিবেচনা করবে।
তবে সাংবাদিক এজে জ্যাকবের মতে, বেকারত্বের হার ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। শ্রমিকদের কাজ করবে রোবট। বাসা বাড়ি পরিস্কার করার জন্য এক সময় লোক নিয়োগ দেওয়া হতো- বিষয়টিকে বিস্ময়ের চোখে দেখা হবে।
লেখক ডার্নেল মুরের মতে, যোগাযোগের ক্ষেত্রে মানুষ ভিআর ও এআরের উপর নির্ভর করবে। এতে ডিজিটালি যোগাযোগ বাড়বে।
অ্যাক্টিভিস্ট মাই কাইয়ের মতে, আমাদের চোখে চিপ থাকবে। এই চিপ দিয়ে চোখের পলক ফেলে অন্য মানুষের চিন্তা-ভাবনা জানা যাবে। কথা বলার প্রয়োজন হবে না।
এফ ফার্মের প্রতিষ্ঠাতা ম্যাক্স লেভচিনের মতে, শেষ পর্যন্ত ব্রেইন টু ব্রেইন কমিউনিকেশন সম্ভব হবে। মাথার খুলি ফুটো করে ইলেক্ট্রোডসের মাধ্যমে শুধু পক্ষাঘাতে আক্রান্ত ব্যক্তিরাই যোগাযোগ করবে।
আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা কেমন হবে সে সম্পর্কে দ্য বোল্ড টাইপের এক্সিকিউটিভ প্রোডিউসার জোয়ানা কোলসের ভাষ্য, ইলেক্ট্রিক কারের মতো ইলেক্ট্রিক প্লেনও তৈরি হবে। ছোট আকারের ইলেক্ট্রিক প্লেন প্রতিনিয়ত ওঠা নামা করবে। এয়ারপোর্টের আকারও ছোট হয়ে আসবে।
বিজ্ঞানী বিল ইয়ের মতে, আগামী ৫০ বছরের মধ্যে মানুষ অনেকবারই মঙ্গলগ্রহে যাওয়ের চেষ্টা করবে। কিন্তু সেখানে গিয়ে কেউ বসতি স্থাপন করতে পারবে না। সেখানে স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নেওয়ার উপায় থাকবে না। তাই সেখানে কোনো গ্রাম তৈরি হবে না। মঙ্গলে থাকতে গেলে গোলাকার একটি ঘরে থাকতে হবে। ঘরের বাইরে যেতে হলে পড়তে হবে স্পেস স্যুট। এই স্পেস স্যুট পড়েও মানুষ আবদ্ধই থাকবে।
মাই কোয়ের মতে, মানুষ নিজেকে বাঁচাতেই বেশি ব্যস্ত থাকবে। তাই অন্যান্য গ্রহে বসতি গড়বে না।
সমাজ কিভাবে বদলে যাবে তার ধারণা দিতে গিয়ে কলরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর টেম্পলগ্যান্ডিন বলেছেন, এআই ও মেশিন লার্নিংয়ের মাধ্যমে সমাজে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসবে। এখনই আইনি ও রোগ শনাক্তের কাজে কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই এআই দিয়ে রেডিওলোজিস্ট, ইন্টারনাল মেডিসিন ডক্টর, ডার্মাটোলোজিস্ট, পেটেন্ট অ্যাটোর্নি, কন্ট্র্যাক্ট লইয়ার ও ট্রাফিক কোর্ট জাজের কাজ করাও সম্ভব হবে।
তথ্যসূত্র: টেক শহর

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop