ksrm

বিনোদনের সময়সংস্কৃতি-ভাষা-চলচ্চিত্রের মানোন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করা হবে : তথ্যমন্ত্রী

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
সংস্কৃতি, ভাষা ও চলচিত্রের মানোন্নয়নে বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্রাঙ্গন যৌথভাবে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ডা. হাছান মাহমুদ। এদিকে সম্মিলিত প্রয়াসে বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ ও বাণিজ্যিক সাফল্যের কথা তুলে ধরলেন ঢাকা ও টালিগঞ্জের শিল্পীরা।
ঢাকায় সোমবার সন্ধায় (২১ অক্টোবর) তারার হাট বসেছিল (ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম   অ্যাওয়ার্ড আসর) রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে।
এ সময় ভারত বাংলাদেশ ফিল্মস অ্যাওয়ার্ড (বিবিএফএ) আসরে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, রাজনৈতিক সীমারেখা দুই বাংলার অভিন্ন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বিভাজন করতে পারে না। আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতি এক। কিন্তু আমাদের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের একটু অভাব ছিল। এ আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের সংস্কৃতি চর্চা উৎসাহিত হবে। চলচ্চিত্র মানুষের মননের বিকাশ করে। যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করেন, তাদেরও প্রেরণা দিতে পারে চলচ্চিত্র। আমি এ আয়োজনের সাফল্য কামনা করছি।
চলচ্চিত্রের বিশ্ববাজার দখল এবং দেশীয় চলচ্চিত্রের প্রসার ও এর মানোন্নয়নে এ ধরনের আয়োজন কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তথ্যমন্ত্রী।
দু’দেশের যৌথ উদ্যোগে এ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে উচ্ছ্বসিত তারকারা। বললেন, বাংলা ভাষার দুই চলচ্চিত্রাঙ্গনের মেলবন্ধনে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকা প্রয়োজন।
দু’দেশের সম্মিলিত প্রয়াসে চলচ্চিত্রশিল্প বাণিজ্যিকভাবে কতটা লাভবান হতে পারে সে কথা তুলে ধরেন কলাকুশলীরা।
পুরস্কারের এ আসরে চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদান রাখায় বাংলাদেশের কিংবদন্তি অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগম ও ভারতের কিংবদন্তি অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকে আজীবন সম্মাননা দেয়া হয়েছে।
আজীবন সম্মাননা হাতে নেয়ার পর আনোয়ারা বেগম বলেন, এ ধরনের একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য বসুন্ধরা গ্রুপসহ সব আয়োজকদের ধন্যবাদ। দুই বাংলা মিলিয়ে এতো এতো তারকা থাকতে আমাকে আজীবন সম্মাননা দেয়া হবে এটা আমি কখনো ভাবিনি। সৃষ্টিকর্তার কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা।
ওপার বাংলার অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক বলেন, বাইশ কোটি মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলেন। তাদেরই এ আয়োজন প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ আয়োজন যেন ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে। যৌথভাবে সিনেমা নির্মাণের যে প্রয়াস চলছে, তা যেন আরও বেগবান হয়। আরেকটা কথা না বললেই নয়, আমি পৃথিবীর বহু দেশে ঘুরেছি, কিন্তু বাংলাদেশে আসলে যে আতিথেয়তা পাই তা পৃথিবীর আর কোথাও পাই না।
অনুষ্ঠানে অ্যাওয়ার্ড প্রদানের জন্য ঢাকা ও টালিগঞ্জের ১০টি চলচ্চিত্রকে মনোনীত করা হয়। এর মধ্য থেকে মোট ১৭টি শাখায় বিজয়ীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সংগীত দিয়ে ‘ভারত বাংলাদেশ ফিল্মস অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠান শুরু। এরপর ফিল্ম  ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার (এফএফআই) তত্ত্বাবধানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। এরপর এফএফআইর সভাপতি ফেরদৌসুল হাসান উদ্বোধনী বক্তব্য দেন।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop