ksrm

বাণিজ্য সময়বিজিএমইএ ভবন ভাঙার চূড়ান্ত কার্যাদেশের পরও বেকায়দায় রাজউক

কামরুল হাসান সবুজ

fb tw
রাজধানীর হাতিরঝিলে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠনের (বিজিএমইএ) ভবন ভাঙার চূড়ান্ত কার্যাদেশ নিয়ে আবারও বেকায়দায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ- রাজউক। ভবন থেকে মালামাল বের করাকে কেন্দ্র করে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
তবে, নিয়ম মেনেই মালামাল বের করা হচ্ছে বিজিএমইএ এমন দাবি করলেও তা মানতে নারাজ নির্বাচিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ মামলার এক আইনজীবীও মনে করেন, দরপত্র চূড়ান্ত করার এ পর্যায়ে এসে ওই ভবনের মালামালের ওপর কোনো অধিকার নেই বিজিএমইএর।
সবকিছু চূড়ান্ত করে চলতি মাসেই বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে যখন প্রস্তুত রাজউক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, ঠিক তখনই দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
রাজউকের তথ্য, সিলগালা করার পর এ ভবনের মালামাল ১৬ ভাগে ভাগ করে বিক্রি বাবদ অর্থের পরিমাণ ৫ কোটি ৮৮ লাখ ৩১ হাজার টাকা প্রাক্কলন করা হয়। এরমধ্যে ভবন ভাঙা ও অপসারণ বাবদ ব্যয় ৩ কোটি ৪৩ লাখ ১ হাজার টাকা ধরে ভবনটির নিলাম মূল্য ধার্য করা হয় ২ কোটি ৪৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। মূল্য নির্ধারণে সর্বোচ্চ ভবনের চারটি লিফটের দাম ধরা হয়েছে ৪০ লাখ আর ডিজেল চালিত ২টি জেনারেটরের দাম ১০ লাখ।
নানা ধাপ পেরিয়ে নিলামের শীর্ষ দরদাতা প্রতিষ্ঠান চলে যাওয়ার পর চূড়ান্ত চুক্তি করার আগে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে ১ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকায় ২য় সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠান ফোর স্টার এন্টারপ্রাইজও। প্রতিষ্ঠানটির অভিযোগ, প্রাথমিক কার্যাদেশ দেয়ার পর তাদের না জানিয়েই ভবন থেকে বের করা হচ্ছে মূল্যবান সব মালামাল।
ফোরস্টার এন্টারপ্রাইজের কর্মকর্তা নসরুল্লাহ খান রাশেদ বলেন, আপনারা যে মালামাল নিয়ে যাচ্ছেন, ঠিক আছে, মালামাল নিয়ে যাওয়ার সঠিক প্রমাণপত্র দেখান। আমি এখানকার মালামালের ক্ষেত্রে কাগজপত্র আছে, তখন তারা আমাকে জানায় উপরের নির্দেশ আছে। সেই নির্দেশে তারা মালামাল নিয়ে যাচ্ছে। এখন রাজউক বরাবর লিখিত আবেদন করব। তারপর আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে বিজিএমইএর দাবি, নিয়ম মেনেই সুবিধা মতো সময়ে নিজেদের মালামাল নিয়ে যাচ্ছেন তারা।
বিজিএমইএয়ের সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা লিফট জেনারেটর এবং চিলার এগুলো নিয়ে যাচ্ছি, মানে ভারী ভারী জিনিস যেগুলো। আর তখন যখন আমরা চলে গিয়েছিলাম সংক্ষিপ্ত সময়ে এত ভারী ভারী জিনিসি খুলে নেয়ার অবস্থা ছিল না।
যদিও বিজিএমইএ ভবন অপসারণ মামলার আইনজীবী মনজিল মোরশেদের দাবি, এই পর্যায়ে এসে ভবন থেকে কোনো মালামাল বের করার অধিকার নেই বিজিএমইএর।
তিনি আরও বলেন, সিলগালা করার পর তারা আদালতে এসে বলেওনি আমাদের মালামালগুলো দাও। সিলগালা করার পর বিজিএমইএয়ের এ জিনিসের ওপর তাদের কারো অধিকার নেই। যে অবস্থায় চুক্তি হয়েছে তাতে আমার মনে হয় ওই চুক্তি কার্যকর করতে হবে। যদি ব্যতিক্রম হয় সেটা কোনোভাবেই মনে নেয়ার সুযোগ নেই।
এ ব্যাপারে রাজউক কোনো কথা বলতে না চাইলেও এ অবস্থায় এটা পরিষ্কার হাতিরঝিল থেকে বিজিএমইএ সরাতে আবারও নতুন করে বাড়লো অপেক্ষার পালা।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop