ksrm

খেলার সময়ক্রিকেটারদের দাবি, পাপনের হুংকারে যা বললেন বিশ্লেষকরা

সময় সংবাদ

fb tw
সংবাদ মাধ্যম নয়, দাবি জানানোর ক্ষেত্রে ক্রিকেটারদের উচিত ছিল বোর্ডের সঙ্গে আগে কথা বলা। তবে বিসিবি সভাপতি চাইলেই সব সমস্যার সমাধান করতে পারতেন। সেটা না করে তিনি কেন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করলেন, সেই প্রশ্নই রেখেছেন সাবেক বিসিবি পরিচালক খন্দকার জামিল। দায়িত্বশীল পদে থেকে পাপন, ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত বিষয়গুলো নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তাতে বিস্মিত ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে, দ্রুত সময়ের মধ্যে খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করা উচিত বোর্ডের।
ঘোর অমানিশা আর অনিশ্চিত ভবিষ্যত দেশের ক্রিকেটে। যা দীর্ঘ থেকে হচ্ছে আরও দীর্ঘতর। ক্রিকেটারদের ১১ দফা দাবি আর তার বিপরীতে বিসিবি সভাপতির হুংকার। এ দুয়ে মিলে পরিস্থিতি হয়েছে আরও জটিল। বিশ্লেষকরা বলছেন, বলটা ছিল পাপনের কোর্টেই। সুযোগ ছিল মহান হওয়ার। তবে তিনি ছক্কা না হাঁকিয়ে ফুলটস বলেই তুলে দিলেন ক্যাচ। যোক্তিক দাবিগুলোকে আমলে না নিয়ে পরিস্থিতি করলেন আরও জটিল।
বিসিবি সাবেক পরিচালক খন্দকার জামিল বলেন, ক্রিকেটাররাও ভুল করেছেন। তারাও প্রক্রিয়াটা ফলো করেনি।
সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক পবিত্র কুন্ডু বলেন, এ সমস্যার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল বিশ্বকাপের পর থেকে।
পাপন তার প্রায় ঘণ্টা দেড়েকের সাংবাদিক সম্মেলনে একই কথা বারবার বলেছেন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে। তবে সবচায়ে বেশি দৃষ্টিকটু ছিল কয়েকজন ক্রিকেটারের প্রতি ব্যক্তিগত আক্রমণ। দায়িত্বশীল পদে থেকে তার এমন আচরণে হতবাক সবাই। সঙ্গে যে ক্রিকেটাররা লাল সবুজের পতাকে বিশ্ব দরবারে করেছে সমুজ্জ্বল, তাদের ষড়যন্ত্রকারীর তকমা দেয়ায়, বিস্মিত বিশ্লেষকরা।
বিসিবি সাবেক পরিচালক খন্দকার জামিল বলেন, পাপনের অনেক ক্ষোভ থাকতে পারে, রাগ থাকতে পারে, অনেক আবেগ থাকতে পারে। সবকিছু ঠিকা আছে। কিন্তু দিন শেষে তিনি বিসিবি প্রেসিডেন্ট।
সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক পবিত্র কুন্ডু বলেন, কোনো ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে তিনি এমন কথা বলতে পারেন না। কারণ তারা জাতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করে। প্রতিটা খেলোয়াড়ের ছোট ছোট অবদান থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট আজ এ জাগয়ায় এসেছে।
সামনেই ভারত সফর। তাইতো বড় প্রশ্ন বিসিবি ক্রিকেটারদের মধ্যে উদ্ভূত এ সমস্যা সমাধানে উপায়টা কী? সে টোটকাও দিলেন বিশ্লেষকরা। বললেন ইগোকে পাশ কাটিয়ে দায়িত্বটা নিতে হবে ক্রিকেট বোর্ডকেই।
বিসিবি সাবেক পরিচালক খন্দকার জামিল আরও বলেন, একে অপরকে বিপদে ফেলার চেষ্টা আলটিমেটলি দেশের ক্রিকেটের ক্ষতি। সামনে ভারত সফর। এ আন্দোলনকে ঘিরে যেন সফরে কোনো প্রভাব না পড়ে।
সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক পবিত্র কুন্ডু বলেন, ক্রিকেট বোর্ডেরই দায়িত্বটা বেশি। খেলোয়াড়দের ডেকে অবশ্যয় আলোচনা করা উচিত।
আর ভবিষ্যতে যাতে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে না হয় সে জন্য বিসিবিকে আরো পেশাদার হওয়ার পরামর্শ ক্রিকেট বিশ্লেষকদের।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop