ksrm

স্বাস্থ্যগ্যাস নাকি গ্যাস্ট্রিক, কোনটি আসলে কী?

সময় সংবাদ

fb tw
আমরা প্রায়ই ভুল তরে থাকি গ্যাস এবং গ্যাস্ট্রিককে সমান মনে করি। গ্যাস এবং গ্যাসট্রিক দুটো ভিন্ন ধরনের সমস্যা এবং এর চিকিৎসাও ভিন্ন। এজন্য আমাদের জানা দরকার গ্যাস ও গ্যাসট্রিক বলতে কি বুঝি। এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাসট্রোলিভার ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মাসুদুর রহমান।
আমরা মনে করি গ্যাসট্রিক শব্দটি গ্যাস থেকে এসেছে। প্রকৃতপক্ষে গ্যাস এবং গ্যাসট্রিক বলে ইংরেজিতে কোনো শব্দ নেই। অনেক রোগী বলে আমার গ্যাসট্রিক সমস্যা হচ্ছে। আসলে গ্যাসট্রিক বলতে বুঝায় গ্যাসট্রিক আলসার (gastric ulcer) বা পেপট্রিক আলসারের (peptic ulcer) কোনো সমস্যা আছে কিনা। গ্যাস্ট্রিক বলতে ডাক্তারি ভাষায় বুঝা যায় ইংরেজিতে ডিসপেপসিয়া (dyspepsia ulcer)। আর এর বাংলা হচ্ছে বদহজম। আসলে এর কোনো সঠিক নাম নেই।
পেপটিক আলসার ডিজিজ কোথায় হয়?
পেপটিক আলসার যে শুধু মাত্র পাকস্থলীতেই হয়ে থাকে তা কিন্তু নয় বরং এটি পাকস্থলী (গ্যাস্ট্রিক আলসার) ছাড়াও অন্ননালীর নিচের প্রান্ত, ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম অংশ/ডিওডেনাম (ডিওডেনাল আলসার), পৌষ্টিক তন্ত্রের অপারেশনের পর যে অংশ পাকস্থলীর সাথে জোড়া লাগানো হয় সে অংশে, এবং ম্যাকেলস ডাইভার্টিকুলামেও হতে পারে।
পেপটিক আলসার ডিজিজ কেন হয়?
প্রধানত পাকস্থলীতে অতিরিক্ত অ্যাসিড তৈরি হওয়ার জন্যই এ সমস্যা দেখা দেয়। অতিরিক্ত অ্যাসিড পাকস্থলীর মিউকোসা নামক পর্দা নষ্ট করে পাকস্থলীর সংস্পর্শে আসে এবং প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। আর হেলিকোব্যাকটার পাইলোরি নামক ব্যাকটেরিয়ারও মিউকোসা নষ্ট করে দেয় এবং অ্যাসিডকে পাকস্থলীর সংস্পর্শে এসে প্রদাহের সৃষ্টি করে।
কারও পৌষ্টিকতন্ত্র থেকে যদি বেশি পরিমাণে অ্যাসিড এবং প্রোটিন পরিপাককারী পেপসিন নামক এক ধরনের এনজাইম নিঃসৃত হতে থাকে অথবা জন্মগত ভাবে পৌষ্টিকতন্ত্রের গঠনগত কাঠামো দুর্বল থাকে তাহলেও পেপটিক আলসার হতে পারে।
১। যে সব কারণে পেপটিক আলসার হতে পারেঃ
২। বংশগত: কারো নিকটতম আত্মীয় যদি এ রোগে ভুগে থাকেন তবে তাদের পেপটিক আলসার হবার ঝুঁকি বেশি থাকে।
৩। রোগ-জীবাণু: হেলিকোবেক্টার পাইলোরি নামক এক প্রকার অণুজীব এ রোগের জন্য বহুলাংশে দায়ী।
৪। ঔষধ: যে সমস্ত ঔষধ সেবনে পেপটিক আলসার হতে পারে তাদের মধ্যে ব্যথানাশক ঔষধ বা এনেসাইডস বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৫। রক্তের গ্রুপ: যাদের রক্তের গ্রুপ ‘ও’ তাদের মধ্যে এ রোগের প্রবণতা বেশি। অন্যান্য কারণ এর মধ্যে ভাজা-পোড়া জাতীয় খাবার, অনিদ্রা, অতিরিক্ত টেনশন (দুশ্চিন্তা) ইত্যাদি।
পেপটিক আলসারের ক্ষেত্রে অপারেশন সাধারণত জরুরি নয়। তবে দীর্ঘ মেয়াদী ঔষধ সেবনের পরও যদি রোগী ভাল না হন, কিছু খেলে যদি বমি হয়ে যায় অর্থাৎ পৌষ্টিক নালীর কোনো অংশ যদি সরু হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে অপারেশন করিয়ে রোগী উপকৃত হতে পারেন।
সময় মত পেপটিক আলসারের চিকিৎসা না করলে রোগীর নিম্নলিখিত সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারেঃ
পাকস্থলী ফুটা হয়ে যেতে পারে
রক্ত বমি হতে পারে
কালো পায়খানা হতে পারে
রক্তশূন্যতা হতে পারে
ক্যান্সার হতে পারে (কদাচিং) এবং
পৌষ্টিক নালীর পথ সরু হয়ে যেতে পারে।
কাজেই যারা দীর্ঘমেয়াদী পেপটিক আলসারে ভুগছেন তাদের উচিত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop