ksrm

প্রবাসে সময়যে কারণে মেহেদির পরিবারকে ফেরত পাঠাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
বাংলাদেশি ড. মেহেদি হাসান ভূঁইয়া ২০১১ সালে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে অস্ট্রেলিয়াতে যান। এক বছর পর দেশে ফিরে রেবেকা সুলতানাকে বিয়ে করে অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যান। ২০১৩ সালে স্ত্রীকেও নিয়ে যান মেহেদি। সেখানে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন এই দম্পতি।
সেই সন্তানের বয়স এখন পাঁচ বছর। নাম আদিয়ান। আদিয়ানকে কারণ দেখিয়ে পুরো পরিবারকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া কর্তৃপক্ষ। তাদের অভিযোগ, মেহেদি দম্পতির সন্তান আদিয়ান বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন (প্রতিবন্ধী)।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, আদিয়ানের জন্মের পর মাথা তুলতে কষ্ট হতো। তার হাতেও সামান্য ত্রুটি ছিল। হাতেও বেশ সমস্যা ছিল। কোনো কিছু ধরতে পারত না।
তবে এসব সমস্যা এখন নেই। আদিয়ান এখন ভালো আছে। পড়াশোনাও করছে। নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছে, সবকিছু শিখছে, বাসায় শিশুতোষ ভিডিও দেখছে। ফুটবলও খেলছে। 
কিন্তু অস্ট্রেলিয়া কর্তৃপক্ষের দাবি, আদিয়ান শারীরিক প্রতিবন্ধী। এজন্য তাকে অস্ট্রেলিয়ায় রাখা হবে না। আদিয়ানকে নিয়ে তার পরিবারকে বাংলাদেশে ফিরে আসতে হবে। এজন্য অস্ট্রেলিয়ার ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আদিয়ানের মা ও বাবাকে আর ভিসা দেয়া হয়নি।
গার্ডিয়ান বলছে, আদিয়ান নামে শিশুটি অস্ট্রেলিয়ার ‘স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে’ বলে এমন আশঙ্কা থেকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।
আদিয়ানের বাবা বাংলাদেশ থেকে পড়ালেখা করে প্রথমে দক্ষিণ কোরিয়া যান। সেখানে স্নাতকোত্তর শেষ করে অস্ট্রেলিয়ার অস্ট্রেলিয়ার ডিকিন ইউনিভার্সিটি থেকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি অর্জন করেন। পরে তিনি ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্য সরকার কর্তৃক দক্ষ অভিবাসী হিসেবে স্থায়ী ভিসা পান। এতে পরিবারসহ তিনি অস্ট্রেলিয়া আজীবন থাকার নিশ্চয়তা পান।
কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার কঠোর অভিবাসী নীতির ‘ওয়ান ফেলস অল ফেল’ কারণে এখন পুরো পরিবারকে দেশটি থেকে বহিষ্কার করা হচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়া কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হতে পারেননি মেহেদি। তিনি আপিল করেছিলেন। কিন্তু তার আপিল খারিজ করেছে ট্রাইব্যুনাল।
এ বিষয়ে মেহেদি বলেন, ‘আমার কিছুতেই মাথায় আসছে না যে, একটা ছেলের বাম হাতে সামান্য দুর্বলতা আছে। কিন্তু তার জন্য বিশেষ শিক্ষা কেন দরকার হবে? কিন্তু আমি যতদূর জানি, বিশেষ শিক্ষা তো কেবল তাদেরই দরকার হয় যারা মূল ধারার স্কুলে যেতে পারে না।’
আপিল খারিজ হওয়ার পর মেহেদি দেশটির অভিবাসন মন্ত্রী ডেভিড কোলম্যানের কাছে আপিল করেছেন। মেহেদি বর্তমানে বিশেষ ভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছে। মন্ত্রীর সিদ্ধান্ত আসার আগ পর্যন্ত তারা দেশটিতে আরও তিন মাস থাকার সুযোগ পাবেন। তবে মন্ত্রী কোনো সিদ্ধান্ত দিতে বাধ্য নন।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop