শিক্ষা সময়ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করল খুলনাবাসী

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের (স্নাতক) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শেষ হয়েছে শনিবার। শুক্রবার থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে বিভিন্ন জেলা থেকে শিক্ষার্থীদের আনাগোনা শুরু হয়। ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিল খুলনা নগরীর একটি আবাসিক হোটেল ও রেস্টুরেন্ট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আবাসিক হল।
খুলনা নগরীর তিন তারকা হোটেল টাইগার গার্ডেন ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃপক্ষ টানা পাঁচ বছর ধরে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ফ্রি থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় এবারও ৩৭৫ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের বিনামূল্যে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে তারা।
হোটেল কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের থাকা ও পড়াশোনার সুবিধার জন্য তিনটি কনফারেন্স ও সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্কোয়েট হল ছেড়ে দেয়। দুটিতে ছেলে ও একটিতে মেয়েদের থাকার ব্যবস্থা ছিল।   
হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায়, সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে তাদের এ কার্যক্রম। মূলত শিক্ষার্থীরা থাকা-খাওয়া নিয়ে ভাবনা চিন্তায় পড়ে যান। শিক্ষার্থীরা যাতে সুস্থ ও সুন্দরভাবে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারে এজন্য এমন সুবিধা দিয়ে থাকেন তারা। ১৮ অক্টোবর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েটের) ভর্তি পরীক্ষায়ও ৭৬৫ শিক্ষার্থী ও অভিভাবককে এমন সুবিধা দিয়েছিল হোটেলটি।     
এ ছাড়া খুবির প্রধান ফটকের বিপরীতে অবস্থিত দারুচিনি রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড ক্যাফে ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে অস্বচ্ছল, দরিদ্র, সমস্যাগ্রস্ত শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের জন্য প্রথমবারের মতো বিনামূল্যে খাবারের ব্যবস্থা করেন। রেস্টুরেন্টটির এ সেবা শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত শেষ হয়।
রেস্টুরেন্টটির মালিক মাহমুদুল ইসলাম মিঠুন বলেন, অপরিচিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসে অনেকে টাকা-পয়সা হারিয়ে ফেলেন, আবার অর্থ সংকটের কারণে চড়াদামে খাবার কিনতে পারেন না। এ জন্য শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের যাতে কোনো সমস্যায় পড়তে না হয় সে জন্য প্রথমবারের মতো আমরা বিনামূল্যে খাবার সরবরাহের উদ্যোগ নিই। প্রতি বছর আমাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
অপর দিকে খুবির খান জাহান আলী আবাসিক হলে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীদের জন্য হল প্রশাসন হলের অভ্যন্তরে ৫৫ শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা করেন। যেসব শিক্ষার্থীদের খুলনার কোথাও আবাসন ব্যবস্থা হয়নি তাদেরই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
খান জাহান আলী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. সমীর কুমার সাধু বলেন, গত বছরের ন্যায় এবারও আমরা শিক্ষার্থীদের আবাসনের ব্যবস্থা করেছি। ভবিষ্যতে আমাদের এ কার্যক্রম আরও বড় পরিসরে করার চেষ্টা করব।  
এ ছাড়া তাবলিগ জামায়াতের সাথিরা যেসব কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা হয়েছে তার আশপাশের নগরীর মসজিদগুলোতে প্রায় আট শতাধিক শিক্ষার্থীর থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় ও আইসিটি সেলের তথ্য মতে, এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের চার ইউনিটের অধীন আটটি স্কুলের অন্তর্ভুক্ত ২৯ ডিসিপ্লিনে ১ হাজার ২১৭ আসনের (মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও আদিবাসী কোটাসহ) বিপরীতে ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩২ হাজার ৬৩৬।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop