ksrm

লাইফস্টাইলবাচ্চার উচ্চতা বাড়াতে ডায়েটে রাখুন এসব খাবার

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
কোনো মানুষের উচ্চতা কত হবে তা সবথেকে বেশি নির্ভর করে জিনের উপর। পাশাপাশি, খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাত্রা এবং শরীরচর্চার মতো বিষয়গুলিও একদম ফেলনা নয়।
উচ্চতা বাড়াতে তাই অবশ্যই দৃষ্টি দিতে হবে বাচ্চার খাদ্যাভাসের দিকে। বাচ্চারা ফাস্ট ফুড খেতে খুব ভালবাসে, কিন্তু ফাস্টফুড বাচ্চাদের পুষ্টির চাহিদদা মেটাতে পারে না। তাই ফাস্ট ফুডের বদলে বাচ্চাকে দিন সুষম খাবার।
শারীরিক সু্স্থতা, বিকাশের পাশাপাশি সন্তানের উচ্চতার বৃদ্ধির হারও অনেকটাই সুনিশ্চিত করে এমনই কিছু খাবারের কথা থাকল এখানে।
ডিম ও চিকেন:
শারীরিক বিকাশে প্রোটিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রাণিজ প্রোটিন সাহায্য করে দেহের নতুন টিস্যু গঠনে এবং ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু তৈরি করতে। মাংসপেশির গঠনেও প্রোটিনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বাচ্চার ডায়েটে তাই রাখুন ডিম। বিশেষ করে ডিমের সাদা অংশ এবং সেদ্ধ বা গ্রিলড চিকেন। শারীরিক বিকাশের পাশাপাশি এনার্জিও পাবে আপনার সন্তান।
মাছ:
চেষ্টা করুন বাচ্চাকে ছোট মাছ বেশি খাওয়াতে। যদি আঁশটে গন্ধর কথা বলে বাচ্চা মাছ না খেতে চায়, হাতের কাছে রাখুন একটুকরো লেবু। মাছের টুকরোয় হাল্কা করে লেবুর রস মাখিয়ে দিন। দেখবেন, গন্ধের অজুহাত উধাও হতে বাধ্য।
সবুজ শাকসবজি:
বাচ্চাদের ভাল রাখতে তরিতরকারির কোনও বিকল্প নেই। আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন কে, ভিটামিন বি, ভিটামিন এ এবং অন্যান্য খনিজে ভরপুর তরকারি বাচ্চার বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয়।
শীতকাল নানা রকমের তরকারির জন্য আদর্শ সময়। ব্রকোলি, পালং শাক, বাধাকপি, ফুলকপি, বিনস, গাজর এবং বিট এখন সহজেই হাতে পাবেন। সবজি সেদ্ধ করা পানিও খুব পুষ্টিকর। সেটা দিয়ে স্টু বানিয়ে দিন। বিভিন্ন সবজি, ডিমসেদ্ধ এবং চিকেনের টুকরো দিয়ে বানিয়ে ফেলুন স্যালাড। একসঙ্গে অনেক রকম পুষ্টিকর খাবার হাজির বাচ্চার সামনে।
সয়াবিন:
বাচ্চাদের ছোট থেকে সয়াবিন খাওয়ানোর অভ্যাস তৈরি করুন। স্বাদের দিক দিয়ে মাংসের কাছাকাছি হওয়ায় বাচ্চারা অনেক সময় সয়াবিন খেতে পছন্দও করে। এটি প্রোটিনের ভাল উৎস।
ডাল:
ছোট থেকেই বাচ্চাকে নানারকমের ডাল খেতে অভ্যস্ত করে তুলুন। এক একদিন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এক এক রকম ডাল রাঁধুন। দরকারে, দু’তিন রকম ডাল মিশিয়েও এক্সপেরিমেন্ট করতে পারেন।
ফল:
সবসময় দামি ফল কিনে খাওয়াতে হবে, এমন কোনও কথা নেই। আপেল, মুসাম্বি, আঙুরের দিকে সবসময় না ঝুঁকে কিনুন পেয়ারার মতো ফল। বাচ্চাকে অবশ্যই দিন সবেদা, পানিফল, বাতাবি লেবুর মতো মরসুমি ফলও। ফলের রসের বদলে বাচ্চাকে বলুন গোটা বা কাটা ফল কামড়ে খেতে। এতে পুষ্টিকর ফাইবার ডায়েট থেকে বাদ পড়বে না। দাঁতের গঠনও ভাল হবে।
দুধ:
মাংসপেশির গঠন এবং হাড় মজবুত করার জন্য দুধের কোনও বিকল্প নেই। ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং ভিটামিন ডি-র মূল উৎস দুধ। সরাসরি দুধ খেথে না চাইলে পুডিং, কাস্টার্ড, মিল্কশেক, চিজ, টক দই রাখুন বাচ্চার ডায়েটে।
দামি খাবারের তুলনায় ঘরোয়া খাবারেই লুকিয়ে থাকে সুস্থতার চাবিকাঠি। তাই, সন্তানকে ঘরে তৈরি খাবার বেশি করে দিন।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop