শিক্ষা সময়স্কুলশিক্ষার্থী আবরার মৃত্যুর তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
স্কুলশিক্ষার্থী নাইমুল আবরার রাহাতের মৃত্যুর ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে ঢাকায় রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (১১ নভেম্বর) সচিবালয়ে এ প্রতিবেদন জমা দেয় তারা। নির্ধারিত সময়ের ৭ দিনের মাথায় বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিনিধি দল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় করা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।
শিক্ষা সচিব বরাবর জমা দেয়া প্রতিবেদনে স্কুলটি তাদের ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে ৫ দফা সুপারিশ তুলে ধরেছে তারা।
তাতে বলা হয়. ভবিষ্যতে স্কুল প্রাঙ্গণে কাউকে অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রে ডিপিডিসি, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বাধ্যতামূলক করা হবে। এছাড়া প্রায় ২৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ প্রতিবেদনে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
মরদেহ দাফনের ৭ দিন পর শনিবার (নভেম্বর) কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে নেয়া হয় এ শিক্ষার্থীর মরদেহ, পরদিন আবার দাফন করা হয়। সকাল থেকে স্বজন ও এলাকাবাসীর ভিড় লেগে ছিল স্কুলছাত্র আবরার রাহাতের কবর ঘিরে। আদালতের নির্দেশে দুপুর ২টায় নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইলিশীয়া রিসিলের নেতৃত্বে আবরারের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়।
এ সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা থেকে আসা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সোনাইমুড়ি থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
গত বুধবার আদালত নির্দেশ দেয় মরদেহ তোলার। এছাড়াও আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা ও বর্তমান মামলাকে সংযুক্ত করে আগামী পহেলা ডিসেম্বরের মধ্যে মোহাম্মদপুর থানাকে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
দাফনের আগে ময়নাতদন্ত না করায় ক্ষোভ জানান এলাকাবাসী। তবে দেরিতে হলেও এ কার্যক্রম ন্যায় বিচারে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন স্বজনেরা।
মামলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ঢাকা মোহাম্মদপুর থানা পরিদর্শক মো. আবদুল আলীম জানান, আদালতের নির্দেশনা মেনে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।
এর আগে ৬ নভেম্বর ঢাকায় অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল হকের আদালতে আবরারের বাবা মজিবুর রহমান মামলা করেন।
গত ১ নভেম্বর শুক্রবার বিকেলে ঢাকায় রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ক্যাম্পাসে কিশোর আলোর একটি অনুষ্ঠান চলাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় আবরার। সে ওই স্কুলের নবম শ্রেণির দিবা শাখার শিক্ষার্থী ছিল। ঢাকার আগারগাঁওয়ে পরিবারের সাথে থাকত সে। গত ২ নভেম্বর নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর ধন্যপুর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে।
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop