বাংলার সময়ভয়াল ১২ নভেম্বর : সেদিন ভেসে যায় ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষ

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
ভয়াল ১২ নভেম্বর। ৪৯ বছর আগে ১৯৭০ সালের এ দিনে প্রলঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ ভেসে যায়। ভেসে যায় সব প্রাণিসহ ঘরবাড়ি গাছপালা। ভাসিয়ে নেয়ায় বিরাণভূমিতে পরিণত হয় মনপুরা। ৫ হাজার মানুষের বসতি চর কুকরি মুকরি থেকে ভেসে যায় প্রায় ৩ হাজার মানুষ। তাই নভেম্বর আসলে এখনো আতকে ওঠেন বেঁচে যাওয়ারা। তবে ৭০ পরবর্তী সময়ে সরকারের নেয়া পদক্ষেপ উপকূলের মানুষের নিরাপত্তা অনেকগুণ বাড়লেও জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষায় স্থায়ী নিরাপত্তা বেষ্টনীর দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর। দিনভর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির পর উপকূলের ওপর দিয়ে প্রায় ২০০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাওয়া ঝড় আর ১০ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস কেড়ে নেয় মানুষের প্রাণ। পাশাপাশি কেড়ে নেয় পশুপাখির প্রাণও। এ রাতের জলোচ্ছ্বাসে ভাইবোনসহ পরিবারের ১৯ জন হারিয়ে একা বেঁচে আছেন বেল্লাল শরীফ। তার মতোই ভাই-বোনসহ ৪৭ জন নিকটাত্মীয়কে হারিয়েছিলেন নাসির মজুমদার। স্বজন হারানোর সেই স্মৃতি এখনও তাড়িয়ে বেড়ায় তাদের।
বেল্লাল শরীফ জানান, সাগরের শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল, একটা ঝড় বৃষ্টি হবে, আমরা ঘরের মধ্যে ছিলাম, রাত ১২ কিংবা ১টার দিকে সব ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। ১৯ জন পরিবারের শেষ আর বেঁচে ছিল ৫ জন।
নাসির মজুমদার বলেন, মনে পড়ে সেই দিনের কথা। টিনের চালের নিচ থেকে একসঙ্গে ১৪ জনের মরেদেহ উদ্ধার করা হয়। একেএকে প্রায় ৪৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘূর্ণিঝড় নিয়ে কাজ করা কর্মকর্তার মতে, উপকূলের মানুষের মধ্যে সচেনতা ও সুযোগ সুবিধার পাশাপাশি নিরাপত্তা বেড়েছে। তবে, জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষার জন্য স্থায়ী নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।
চর কুকরিমুকরি ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজন বলেন, ঝুঁকি আছে, সাইক্লোন সেন্টার, মাটির কিল্লা ও বেড়িবাঁধের আরও করার প্রয়োজন রয়েছে।  
ভোলার ঘূর্ণিঝড় প্রস্ততি কর্মসূচির উপ-পরিচালক মো. সাহাবুদ্দিন মিয়া বলেন, বর্তমানে আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে অনেক, আগে ছিল না। ১৯৭০ সালে আর বর্তমান নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা যায় ঝুঁকি অনেক কম।
পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার তথ্য মতে, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে এ যাবত যত ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে ৭০-এর ১২ নভেম্বরে। সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৭০ হাজার। ১৯৭০ এর পরে শুধু নভেম্বর মাসেই সিডর, আইলা সর্বশেষ বুলবুলের মতো বড় ৩টি ঘূর্ণিঝড় ভোলায় আঘাত হানলো।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop