খেলার সময়২৬৪

মামুন শেখ

fb tw
somoy
১৯৯৭ সালে চেন্নাইয়ে পাকিস্তানের কিংবদন্তী ওপেনার সাঈদ আনোয়ার ব্যাট এক তালে মাতিয়েছিলো ক্রিকেটপ্রেমীদের। ভারতের বিপক্ষে ১৪৬ বলে ১৯৪ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। মাত্র ৬ রানের জন্য ডাবল সেঞ্চুরির আক্ষেপ থেকে গেলেও পরবর্তী এক যুগ ধরে ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ছিলো সেটিই। ২০০৯ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে সেই রেকর্ডে ভাগ বসান জিম্বাবুয়ের অখ্যাত চার্লস কভেন্ট্রি। ১৯৪ রানে অপরাজিত থাকলেও ডাবল সেঞ্চুরি করা হয়নি তারও।
তবে যোগ্য হাতে এই গেরো ভাঙে পরের বছরই। ওয়ানডেতে দ্বিশতকের মাইলফলক স্পর্শ করা প্রথম ব্যাটসম্যান ভারতের ক্রিকেট ঈশ্বর শচীন টেন্ডুলকার। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এই কীর্তি গড়েন তিনি।
টেন্ডুলকার বাঁধ ভাঙার কাজটি করে দেয়ার পর আরো ৭টি ডাবল সেঞ্চুরি দেখেছে ওয়ানডে ক্রিকেট। চার দেশের মোট ছয়জন ক্রিকেটার এই কীর্তি গড়তে সক্ষম হয়েছেন। শচীন, রোহিত ছাড়াও ভারতের বিরেন্দ্র শেবাগের (২১৯) আছে এই অর্জন। এছাড়া পাকিস্তানের ফখর জামান (২১০*), ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইল (২১৫) এবং নিউজিল্যান্ডের মার্টিন গাপটিল (২৩৭*) পার করেছেন এই মাইলফলক।
তবে তিন তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন রহিত শর্মা। শুধু ডাবল সেঞ্চুরির সংখ্যাতেই নয়, ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ইনিংসের মালিকও তিনিই।
২০১৩ সালে ব্যাঙ্গালুরুতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০৯ রানের ইনিংস দিয়ে এই ক্লাবে পা রাখেন রোহিত। পরের আজকের দিনে (১৩ নভেম্বর, ২০১৪) বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিজেকে নিয়ে যান অনন্য উচ্চতায়। কলকাতায় সেই দিনটি ছিলো শুধুই রোহিতের। টস জিতে দুই ওপেনার আজিঙ্কা রাহানে এবং রোহিত শর্মাকে ব্যাট হাতে নামিয়ে দেন বিরাট কোহলি।
শুরুটা ছিলো একেবারেই নড়বড়ে। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে মাত্র ৪ রানে জীবন পান রোহিত। শামিন্দা এরাঙ্গার বলে থার্ডম্যানে রোহিতের ক্যাচ ছেড়ে দেন থিসারা পেরেরা। জীবন পেয়ে আরো যেনো গুটিয়ে যান রোহিত। ভয়ে ভয়ে খেলতে থাকেন উইকেট বাঁচিয়ে। ২৮ রানে রাহানে ফিরে যাওয়ার পর ক্রিজে এসেই চলে যান শার্দুল ঠাকুর। এরপর অধিনায়ক কোহলিকে নিয়ে ২০২ রানের জুটি গড়ে তোলেন রোহিত। ইনিংসের প্রথম ৩২ ওভারে যেখানে ওভারপ্রতি রান রেট ৬ এর কম ছিলো। রোহিত শর্মাও তার প্রথম ১০০ রান তুলেন প্রায় সমান সংখ্যক বল খেলেই। তবে নিজের খাতায় পরের ১৬৪ রান ঝড়ের বেগে যোগ করেন রোহিত। ৩০তম ওভারে নুয়ান কুলাসেকারার ৪ বলে ১৪ নিয়ে শুরু হয় তার তাণ্ডব। এরপর ইনিংসের শেষ বলে কুলাসেকারার বলে জয়াবর্ধনের হতে ধরা পড়ার আগে ৩৩টি চার এবং ৯টি ছক্কা হাঁকিয়ে যান তিনি। শেষ পর্যন্ত ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ৪০৪। জবাবে লঙ্কানরা ২৫১ রানে গুটিয়ে গেলে ১৫৩ রানের বিশাল জয় পায় স্বাগতিকরা।
২৬৪ রানের অনবদ্য সেই ইনিংসের পর আরো একবার দুই শতক করেন রোহিত। ২০১৭ সালে মোহালিতে অপরাজিত ২০৮ রানের ইনিংসটিও তিনি খেলেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop