আন্তর্জাতিক সময়সহিংস বিক্ষোভে উত্তাল হংকং

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
সরকারবিরোধী সহিংস বিক্ষোভে উত্তাল হংকং। রোববার রাতভর বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। 
বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান নেওয়া বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে রাবার বুলেট এবং কাঁদানে গ্যাসের পাশাপাশি গুলি চালায় পুলিশ। এতে আহত হয় বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী। এছাড়াও আটক করা হয়েছে অনেককে।
এ যেন রণক্ষেত্র। গুলি, টিয়ার সেল আর পেট্রোল বোমার শব্দ চারদিকে। রাতের নীরবতা ভেঙ্গে প্রকম্পিত হংকংয়ের প্রধান শহরগুলো।
রোববার দিনভর সহিংস বিক্ষোভের পর রাতেও বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুলসহ বিভিন্ন প্রধান সড়কে অবস্থান নেয় আন্দোলনকারীরা। তারা সড়ক বন্ধের পাশাপাশি সরকারবিরোধী নানা স্লোগান দেন। এসময় বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা।
এছাড়াও বিক্ষোভকারীদের একটি দলকে, সড়কের পাশে ও বিভিন্ন ভবনে অবস্থান নিয়ে পেট্রোল বোমা বানাতে দেখা যায়। আন্দোলনে সহিংসতা শুরুর পর থেকেই নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে পেট্রোল বোমা ব্যবহার করে আসছে তারা।
বিক্ষোভকারীদের এমন সহিংসতার জবাবে কাঁদানো গ্যাস ও রাবার বুলেট ছোঁড়ে পুলিশ। জবাবে পুলিশকে লক্ষ্য করে তীর, পেট্রোল বোমা এবং পাথর নিক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীরা। তীরের আঘাতে এ পুলিশ সদস্য আহত হন বলেও জানায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুলি চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। এতে আহত হন বেশ কয়েকজন। এছাড়াও বহু আন্দোলনকারীকে আটক করে পুলিশ।
আন্দোলনকারীরা বলছে, সন্ধ্যা থেকেই বন্ধুদের সঙ্গে এখানে শান্তিপূর্ণ অবস্থান করছি। কিন্তু পুলিশ অন্যায়ভাবে প্রবেশ করে অনেককে আটক করেছে। কিন্তু গণতন্ত্র না আসা পর্যন্ত এ আন্দোলনক অব্যাহত থাকবে।
পুলিশের কঠোর অবস্থানের পর সোমবার সকালে দখল করা একটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছেড়ে যায় আন্দোলনকারীরা। পুলিশ বলছে, সহিংসতা অব্যাহত থাকলে বিক্ষোভে গুলি চালাবে তারা।
তবে রোববার রাতের পর সোমবারও প্রতিবাদ বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে চীনের বিশেষায়িত অঞ্চল হংকংয়ের আন্দোলনকারীরা। শুরুতে বিতর্কিত প্রত্যর্পণ আইন বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করলেও, দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের আন্দোলনে রূপ নেয়।
খুব দ্রুত সহিংস বিক্ষোভ বন্ধ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন হংকংয়ের আইন প্রণেতারা। কেন্দ্রীয় সরকারের এক দেশ দুই নীতি পলিসি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তারা।
হংকংয়েল আইনপ্রণেতা মারিয়া তাম ওয়াইচু বলেন, এক দেশ দুই নীতির প্রতি আমি শতভাগ আস্থাশীল। বিগত ২২ বছরে আমাদের কেন্দ্রীয় সরকার হংকংয়ের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছে। তাই আমার আশা, বিষয়টি বিবেচনা করে আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ বন্ধ করবে।
এদিকে হংকংয়ে চলমান সঙ্কট শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। এক বিবৃতিতে তিনি চীনের এক দেশ দুই নীতিরও কঠোর সমালোচনা করেন।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop