আন্তর্জাতিক সময়বিক্ষোভে উত্তাল ইরাক ও লেবানন

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাক ও লেবানন। রোববার ইরাকের রাজধানী বাগদাদের প্রধান সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে কয়েকশ' ইরাকি। এসময় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। 
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে নিরাপত্তা বাহিনী। এছাড়া, লেবাননের রাজধানী বৈরুতসহ বিভিন্ন শহরে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভে নামে কয়েক হাজার মানুষ। বিক্ষোভ হয়েছে ইউরেশিয়ার দেশ জর্জিয়াতেও।
কয়েক দিন বিরতির পর রোববার আবারো সরকার-বিরোধী বিক্ষোভে নামে ইরাকের সাধারণ মানুষ। রাজধানী বাগদাদের আহরার ব্রিজ অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে তারা। টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়কে যান-চলাচল বন্ধ করে দেয়ার চেষ্টা করে বিক্ষোভকারীরা। কালো ধোঁয়ায় ছেড়ে যায় চারপাশ।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে টিয়ার গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ছোঁড়ে পুলিশ। বিক্ষোভকারীরাও পাল্টা ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকে। দুপক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় রণক্ষত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকায়। আহত হন অনেকে।
মূলত অক্টোবর থেকে দেশটির প্রশাসনের ব্যাপক দুর্নীতি, বেকারত্ব, জীবন-যাপনের ব্যয়বৃদ্ধিসহ নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে অন্য দেশের সরকারের ওপর নির্ভরশীলতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করে আসছে ইরাকের সাধারণ মানুষ।
২০০৩ সালে সাদ্দাম সরকারের পতনের পর এটাই ইরাকের সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ। দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এ বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন তিন শতাধিক। তবে সরকারের পতন না হওয়ায় পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা।
তারা বলছেন, তারা আর কত বছর ক্ষমতায় থাকতে চায়? এক বছর, দুই বছর, তিন বছর করে তো ১২ বছর পার হয়ে গেলো। তাদেরকে ক্ষমতা থেকে সরাতে আমরা এখন বদ্ধপরিকর। প্রয়োজনে আমরা ঘর-বাড়ি বিক্রি করে এই বিক্ষোভ অব্যাহত রাখবো। তবুও তাদের আর ক্ষমতায় দেখতে চাই না। উম্মান কাসর বন্দর, খোর বন্দর, সুয়াইবা তেল শোধনাগারসহ এই এলাকা এখন আমাদের নিয়ন্ত্রণে। জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করা আমাদের লক্ষ্য নয়। পুলিশ, সেনাবাহিনীও আমাদের এ বিক্ষোভে সহযোগিতা করছে।
এদিকে, সরকার-বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ লেবানন। এদিন রাজধানী বৈরুত, ত্রিপলী ও সিদনসহ দেশটির বেশ কয়েকটি শহরে রাস্তায় নেমে আসে কয়েক হাজার মানুষ। জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান দেয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সংস্কারের দাবি জানান তারা। 
১৯৭৫ সাল থেকে ৯০ সাল পর্যন্ত গৃহযুদ্ধের পর সবচেয়ে করুণ অবস্থায় লেবানের অর্থনীতি। দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক সংস্কারের দাবিতে এক মাসের বেশি সময় ধরে বিক্ষোভ করে আসছে দেশটির সাধারণ মানুষ।
তারা বলছে, আমরা খুব ছোট আকারে বিক্ষোভ শুরু করেছিলাম। কিন্তু আজ লেবাননের হাজার হাজার মানুষ আমাদের এ বিক্ষোভ অংশ নিয়েছে। লেবাননের সাধারণ মানুষের মনে আমরা জায়গা পেয়েছি। সৃষ্টিকর্তা চাইলে খুব দ্রুত আমরা লক্ষ্য অর্জন করতে পারবো।
এদিকে, আগাম নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দেশ জর্জিয়ায়। বর্তমান পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে আগামী নির্বাচনের দাবিতে রোববার রাজধানী তিবিলিসের রাস্তায় নামে শত শত মানুষ।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop