মহানগর সময়কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা: বিলবোর্ড বাণিজ্যে রাজধানীর সৌন্দর্যহানি

জুনায়েদ আল হাবিব

fb tw
রাজধানীতে বেড়েই চলছে অবৈধ বিলবোর্ডের সংখ্যা। সড়ক-মহাসড়কের পাশে বাসা বাড়ির ছাদ এমনকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাদেও চলছে এই বিলবোর্ড ব্যবসা। নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, সিটি করপোরেশনের দায়িত্বহীনতার কারণেই দিন দিন সৌন্দর্য হারাচ্ছে রাজধানী ঢাকা। আর বরাবরের মতই সিটি করপোরেশন বলছে, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণে আনা হবে এই বিলবোর্ড বাণিজ্য।
রাজধানীর শুক্রাবাদ নিউ মডেল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়। একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যে পরিবেশ থাকা দরকার তার পুরোপুরি প্রতিষ্ঠানটিতে না থাকলেও যেটুকু আছে তাও আবার দখলে অবৈধ বিলবোর্ড বাণিজ্যের। স্কুলের ছাদে আশে পাশে স্থাপন করা হয়েছে বাণিজ্যিক বিলবোর্ড। ফলে খোলা পরিবেশকে যেমন বাধাগ্রস্ত করছে তেমনি শঙ্কা রয়েছে দুর্ঘটনার।
এরকম রাজধানী জুড়েই চলছে বিলবোর্ডের রমরমা বাণিজ্য। দুই সিটির হিসেব অনুযায়ী রাজধানীতে বৈধ বিলবোর্ডের সংখ্যা দুই হাজারের মত হলেও প্রকৃত সংখ্যা কত সুনির্দিষ্ট হিসেব নেই কারও কাছে। আর প্রতিবছরই বাড়ছে বিলবোর্ড ভেঙে হতাহতের সংখ্যা। সাধারণ মানুষের বলছে, একটি সুন্দর নগরী গঠনে অন্যতম বাধা এই বিশৃঙ্খল বিলবোর্ড।
 
স্থানীয় জনসাধারণরা জানান, বিলবোর্ডের কারণে নানা কারণে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক সময় ভেঙ্গে পড়ে মানুষ আহত হচ্ছে। বিলবোর্ডের ফলে পরিবেশের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, বিলবোর্ড অপসারণ, নিয়ন্ত্রণ আর অনুমোদনের পুরো ক্ষমতা সিটি করপোরেশনের হাতে থাকার পরও তাদের দায়িত্ব অবহেলার কারণে নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না এসব বিলবোর্ড।
নগর পরিকল্পনাবিদ ইকবাল হাবিব বলেন, 'সিটি করপোরেশনের নির্বিকার থাকার কারণেই অবৈধ বিলবোর্ডের বাণিজ্য শুরু হয়ে গেছে।'
এদিকে, নির্বাচিত মেয়ররা দায়িত্ব নেয়ার পর ২০১৫-১৬ অর্থবছরে নবায়ন করা হয়নি কোন বিলবোর্ড ইজারা। সেই হিসেবে এখন রাজধানীর সব বিলবোর্ডই অবৈধ। খুব অল্প সময়ের মধ্যে এসব বিলবোর্ড শৃঙ্খলায় আসবে বলে দাবি সিটি করপোরেশনের  দুই কর্মকর্তার।
এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আনছার আলী খান জানান, 'কীভাবে কত তাড়াতাড়ি এসব সরানো যায় সে চেষ্টাই করছি আমরা।'
অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক বিপন কুমার সাহা বলেন, 'এ সমস্যা রাতারাতি দূর করা সম্ভব নয়। অবৈধ উচ্ছেদের জন্য আমরা চেষ্টা করছি।'
শুধু অনুমোদনের ভিত্তিতে বৈধ-অবৈধ নির্বাচন নয় দৃষ্টিকটু বিলবোর্ডগুলোকেও অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করা উচিৎ বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop