উত্তাল মার্চঐতিহাসিক ৭ই মার্চ আজ

সময় সংবাদ

fb tw
বাঙ্গালির হাজার বছরের স্বাধীনতার, মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে ভাষা দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যুগ সন্ধি ক্ষণে তিনি এমন এক বাণী বাঙ্গালির অন্তরে রোপিত করে দিয়েছিলেন, যা আশা ও সম্ভবনায় উদ্বেলিত করেছিল গোটা জাতিকে। ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক সে ভাষণ রাজনৈতিক ও মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশলের এক চমৎকার রুপরেখা বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
হাজার বছর ধরে নানাভাবে শোষিত হয়েছে এ অঞ্চলের মানুষ। প্রতিবারই বাংলা তার সবটুকু শক্তি দিয়ে গড়ে তুলেছে প্রতিরোধ-নি:শঙ্ক চিত্তে। তবে পুরো জাতিকে একটি আদর্শবোধে ঐক্যবদ্ধ করতে পারিনি কেউ।
অবশেষে একটি বজ্রকন্ঠ উচ্চারণ, পুরো জাতিকে নতুন প্রেরণায় উদ্দীপ্ত করলো। মন্ত্র জপে দিল মুক্তির-স্বাধীকারের।
দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে তিনি দাড়ালেন জনতার সামনে। বললেন, বাঙালির বঞ্চণার কথা, শোষণ আর শাসিত হবার কথা। উনিশ মিনিটের এক জাদুকরী ভাষণে জাতিকে দীপ্ত মুক্তিসেনানিতে রুপান্তরিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।
বঙ্গবন্ধুর সে ভাষণ মানবিক বোধের শ্রেষ্ঠত্ব, গণতান্ত্রিক চেতনার উজ্জলতা ও নিপীড়িত মানুষের স্বাধিকার অর্জন ও আর্থ-সামাজিক মুক্তির এক অনন্য দলিল।
বঙ্গবন্ধু তার বক্তৃত্বাশৈলীর অতুলনীয় ভঙ্গিতে কখনো আবেগ,কখনো যুক্তি, কখনো ইচ্ছাকৃত জোরালো পুনরুক্তির মাধ্যমে সোচ্চার কিংবা বিশেষ স্পর্শকাতর ক্ষেত্রে সঙ্গত কারনেই কৌশলময় ভাষা ব্যবহার করেছেন। তবে এর পরও, সাধারণ মানুষ ৭ই মার্চ স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা পেয়েছিল বলে মনে করেন ইতিহাসবিদ সৈয়দ আনোয়ার হোসেন।
বাঙালি জাতির জন্মসূত্র ৭মার্চের ভাষণের মাধ্যেই সূচিত হয়েছিল। তবে এ ভাষণ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে একইভাবে সকলকে অনুপ্রেরণা যোগায় বলেও মনে করেন এই ইতিহাসবিদ।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop