বাংলার সময়অনৈতিক সুবিধা নিতে নিবন্ধনে আগ্রহী নয় পুরাতন রোহিঙ্গারা

কমল দে

fb tw
ত্রাণসহ নানা সুযোগ-সুবিধার আশায় নতুন আসা রোহিঙ্গারা সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধন করালেও পুরাতন রোহিঙ্গারা এতে আগ্রহী নয়। সবশেষ নিবন্ধনের আওতায় আসা পৌনে ৪ লাখ রোহিঙ্গার অধিকাংশই চলতি বছরের ২৫শে আগস্টের পর বাংলাদেশে এসেছে। এক্ষেত্রে পাসপোর্ট তৈরির মাধ্যমে বিদেশ যাওয়ার সুযোগসহ নানা অনৈতিক সুবিধা নিতে পুরাতন রোহিঙ্গারা নিবন্ধনের বাইরে থাকার কৌশল নিচ্ছে বলে মনে করছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার জেলার উখিয়া এবং টেকনাফে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৬শ ৫৮ জন সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধন করেছে। নিবন্ধনকৃত অধিকাংশ রোহিঙ্গাই নতুন আসা। এই নিবন্ধন কার্যক্রমে দশ আঙ্গুলের হাতের ছাপ সংরক্ষণের পাশাপাশি সংগ্রহ করা হচ্ছে রোহিঙ্গাদের যাবতীয় তথ্য।
আর এই আঙ্গুলের ছাপ ডাটা ব্যাংকে সংযুক্ত করা হয়েছে দেশের জাতীয় পরিচয়পত্রের পাশাপাশি পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নেটওয়ার্কে। ফলে নিবন্ধনকৃত রোহিঙ্গাদের কেউ আর বাংলাদেশের পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবে না।
পাসপোর্ট অধিদপ্তর টেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার স্কোয়াড্রন লিডার আরেফিন বলেন, 'ডাটাবেজে আমরা রোহিঙ্গাদের ১০ আঙ্গুলের ছাপ স্টোর করছি, যাতে পরবর্তীদের রোহিঙ্গাদের আমরা শনাক্ত করতে পারি।'
বিশেষ করে ত্রাণ সুবিধা পাওয়ার আশায় নতুন আসা রোহিঙ্গারা প্রতিদিন সকাল থেকে লাইন ধরে নিজেদের নিবন্ধনে যুক্ত করছে। কিন্তু পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র না পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিবন্ধনে আগ্রহী হচ্ছে না পুরাতন রোহিঙ্গারা। গত দু’দশকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করে এক লাখের বেশি রোহিঙ্গা বিদেশ চলে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
উখিয়া কুতুপালং শরনার্থী শিবির-১ ইনচার্জ রেজাউল করিম বলেন, তাদের চেহারা, ধর্মীয় অনুভূতি সব কিছু এ অঞ্চলের সাথে মিশে যায়।'
আগামীতে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে নতুন-পুরাতন সব রোহিঙ্গাকেই নিবন্ধনের আওতায় আনার নির্দেশনা দেয় শরণার্থী বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো। বর্তমানে নতুন আসা ৭ লাখের বেশি নতুন রোহিঙ্গার পাশাপাশি টেকনাফ ও উখিয়ায় রয়েছে আরো ৫ লাখ পুরাতন রোহিঙ্গা।
ইউএনএইচসিআর সমন্বয়কারী ভ্যানু নোভপিচ বলেন, 'নতুন পুরাতন সব রোহিঙ্গাদের নিবন্ধনের আওতায় আনা হচ্ছে। সঠিক তথ্য সংগ্রহের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে বিশেষজ্ঞ দেওয়া হয়েছে।'
এ অবস্থায় পুরাতন রোহিঙ্গাদের নিবন্ধনে উদ্বুদ্ধ করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে পাসপোর্ট অধিদপ্তর।
কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে একটি কেন্দ্রে মাত্র ৩শ জনকে নিবন্ধনের মাধ্যমে গত ১১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমকে গতিশীল করতে বাড়ানো হয়েছে আরো ছয়টি কেন্দ্র। উখিয়ায় ৫টি এবং টেকনাফে ২টি কেন্দ্রের ৭০টি বুথে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিবন্ধন করা হয়।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop