ksrm

খেলার সময়যেভাবে ধারাভাষ্য জগতে আসলেন জাফরউল্লাহ শারাফাত

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
somoy
টেলিভিশনে নজরটা পড়ুক বা না পড়ুক অথবা রেডিওতে কণ্ঠটা শুনলেই ব্যক্তিটাকে চিনতে আপনার অসুবিধা হবার কথা নয়। কণ্ঠই যার পরিচয়, তিনি চৌধুরী জাফরুল্লাহ শারাফাত। ধারাভাষ্যে দীর্ঘ ক্যারিয়ার। মাঠের খেলায় নয়, বরং কমেন্ট্রি বক্সে বসেই লাখো কোটি দর্শক-শ্রোতার মন জয় করেছেন কথার এ 'জাদুকর'। কিন্তু কিভাবে শুরু হলে তাঁর এই যাত্রা? স্মৃতির জানালায় উকি দিয়ে সময় নিউজকে সেই গল্প শুনিয়েছেন নিজেই।
'আমি ক্রিকেট খেলতাম। ফুটবল, ভলিবলও ভালোই খেলতাম। খেলাধুলা নিয়েই থাকতাম, আসলে খেলার পোকা ছিলাম। একদিন ক্রিকেট খেলতে গিয়ে পা ভেঙ্গে যায়। এরপর আর খেলতে পারিনি। তবে যেহেতু আমি খেলার জগতের মানুষ। আমি ভাবতে শুরু করলাম, এই খেলার একটা জায়গায় আমাকে থাকতেই হবে।'
সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ধারাভাষ্যকার রিচি বেনোকে নিজের আইকন মানেন শারাফাত। সমসাময়িক জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকারদের কথা শুনতে শুনতেই পেশাটার প্রেমে পড়েন তিনি।
'তখন যারা কমেন্ট্রি করতেন- টনি গ্রেগ, রিচি বেনোদের টেলিভিশনে দেখে আমার খুব গ্লামারাস মনে হতো। সারা পৃথিবীর মানুষ তাদের দেখতে পায়, তাদের কথা শুনতে পায়, তাদের নাম জানে। আমার মনে হলো, এই জায়গাটাই আমার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে।'
সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেললেন। খেলার ধারাভাষ্য করবেন। কিন্তু সুযোগটা কিভাবে আসলো? তখন তো এত মিডিয়াও ছিলো না।
জাফরুল্লাহ শারাফাত বলেন, '১৯৮০ সালের কথা। আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি। তখন ওই একমাত্র সাদাকালো টেলিভিশন 'বাংলাদেশ টেলিভিশন'। আমি সেখানে অডিশন দিলাম। সুযোগ পেয়ে গেলাম। তারপর বাংলাদেশ বেতার। ৩৭ বছর আগের কথা। তখন 'প্রেসিডেন্ট গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট' হতো। খেলাটি ছিলো রোমানিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার মধ্যকার। ওই খেলাতে কমেন্ট্রির মাধ্যমেই আমার ধারাভাষ্য দেয়া শুরু। সেই থেকে দেশ-বিদেশে ১২টা বিশ্বকাপের কমেন্ট্রি করলাম। এটাই সম্ভবত বিশ্ব রেকর্ড। একজন ধারাভাষ্যকার এতোগুলো বিশ্বকাপে ধারাভাষ্য দিতে পারেন না। আমি পেরেছি কারণ, আমি ক্লাস নাইনে পড়ার সময় শুরু করেছি।'
টিভি পর্দায় দশ বছর আগেও যেভাবে দেখেছি, এখনও ঠিক তেমনটাই আছেন....
মুখ থেকে কথা কেড়ে নিয়েই শারাফাত হাসতে হাসতে বললেন, ''নব্বই বছরের বৃদ্ধও বলে আবার আঠারো বছরের যুবকও বলে যে, 'আপনাকে জন্ম থেকেই দেখছি। এবং তখন যেমন দেখেছি এখনও তেমনই দেখছি। ২৫ বছর আগে আমার কোমরে যে মাপ ছিলো এখনও ঠিক তাই আছে।'
ফিটনেস ধরে রাখলেন কিভাবে? তিনি বলেন, 'আমি ফলমূল, সবজি, শুকনো রুটি খাই। গোরু-খাসির মাংস, পোলাও, বিরিয়ানি- যে খাবারগুলোতে ফ্যাট আছে আমি সেগুলো খাই না। আমি প্রচুর হাটি এবং নিয়মিত জিম করি।'
যেভাবে কথা বলছেন, সবসময় কী এভাবেই বলেন?
'আমার কাছে এ প্রশ্নটা অনেকেই করে থাকেন। তবে আমি সবসময় এভাবেই কথা বলি। কণ্ঠটা তো 'গড গিফটেড', এটা তো পরিবর্তন করা যায় না। আর যদি ধরণের কথা বলেন, সেটাও আমি এভাবেই বলি। বাসায়ও সবসময় এভাবেই কথা বলি। এটা আমার স্বকীয়তা।'
/এসএম

আরও পড়ুন

'খেলার অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় মেয়েদের অহেতুক প্রাধান্য দেয়া ঠিক না'বিপিএলের লড়াই, কার অবস্থান কি?

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop