ksrm

খেলার সময়রোড টু ফাইনাল

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
somoy
যাত্রাটা শুরু হয়েছিলো গত ৪ নভেম্বর। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উদ্বোধনে ছিলো না কোন আড়ম্বর। একটি একটি করে ম্যাচ মাঠে গড়িয়েছে আর খুলেছে এক একটি উত্তেজনার দরজা। প্রায় দেড় মাসের পথটা শেষ হচ্ছে আজ (মঙ্গলবার)। যেখানে মুখোমুখি হচ্ছেন জাতীয় দলের দুই অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা এবং সাকিব আল হাসান।
এবারের আসরে খেলতে পারেনি বরিশাল বুলস। অপরদিকে নতুন নামে এসেছে সিলেট সিক্সার্স। ঘরের মাঠে শুরুতেই দাপট দেখিয়ে টানা তিন ম্যাচ জিতে নেয় নাসির হোসেনের সিলেট। এরপরই খেই হারায় সুরমা পাড়ের দলটি। হারের বৃত্ত ভাঙতে ভাঙতে টুর্নামেন্টটাই হাতছাড়া হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত আর একটি ম্যাচ অর্থাৎ চারটি জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পঞ্চম স্থানে থেকে শেষ করে তারা।
টুর্নামেন্টজুড়ে হতশ্রী পারফরম্যান্স দেখিয়েছে চিটাগং ভাইকিংস। বন্দর নগরীর নাম রাখতে পারেনি দলটি। ১৩ ম্যাচে তারা জিতেছে মাত্র ৩টিতে। ৭ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে থেকে সবার আগে আসর থেকে ছিটকে যায় তারা। ৪ ম্যাচ জিতে ষষ্ঠ অবস্থানে থেকে আসর শেষ করেছে রাজশাহী কিংস।
কাগজে কলমে তুলনামুলক দুর্বল দল নিয়েও আসরজুড়ে প্রতিশ্রুতিশীল খেলা উপহার দিয়েছে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের খুলনা টাইটান্স। এলিমিনিটরে জায়গা করে নিলেও রংপুরের বিপক্ষে ম্যাচে গেইল ঝড়ে অসহায় আত্মসমর্পণ করে দলটি।
এদিকে পুরো টুর্নামেন্টে জুড়ে দাপট দেখানো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স গ্রুপ পর্ব শেষ করেছে টপে থেকেই। ১২ ম্যাচের ৯টিতে জিতেছিলো তারা। শিরোপার শক্তিশালী দাবিদার দলটি কোয়ালিফায়ারে পর পর দুই ম্যাচ হেরে বাদ পড়ে।
এদিকে ১২ ম্যাচে ৬ জয় নিয়ে কোনোভাবে শেষ চারে জায়গা পাওয়া রংপুরই এখন শিরোপার শক্ত দাবিদার। কোয়ালিফায়ার-এলিমিনেটরে দাপুটে দুই জয় জানান দিচ্ছে সেটারই। লিগ-পর্বে পারফরম্যান্স আহামরি না হলেও শেষ চারে রংপুর আবির্ভূত হয়েছে দুর্দান্ত এক দল হিসেবে। আর এর পেছনে অবশ্যই বড় অবদান মাশরাফি বিন মুর্তজার। সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন দলকে। বোলিংয়ে ধারাবাহিক ভালো করেছেন, ১৩ ম্যাচে নিয়েছেন ১৪ উইকেট। দলের প্রয়োজনে দেখা গেছে তাঁর ব্যাটিং ঝলকও, ১৩ ম্যাচে করেছেন ১৩১ রান।
এদিকে পয়েন্ট টেবিলে দুই নম্বরে থেকে গ্রুপ পর্ব শেষ করা ঢাকা ডাইনামাইটসকে নিয়েই সম্ভবত আলোচনা হয়েছে সবচেয়ে বেশি। রাজধানীর দলটি কাগজে কলমে চলতি আসরের সেরা দল। শুধু কাগজে কলমে নয়, মাঠের খেলায়ও সেটার প্রমাণ দিয়েছে সাকিবরা। দলকে ফাইনালে তুলতে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন দলপতি সাকিব। স্বভাবসুলভ অলরাউন্ড নৈপুণ্য দেখিয়েছেন সাকিবও। ব্যাট হাতে ১২ ম্যাচে ১৮৫ রান করেছেন। আর ২১ উইকেট নিয়ে আসরের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীও তিনিই।
শক্তির বিচারে কেউ কারো চেয়ে কম নয়! টি-২০'র জাঁদরেল সব ক্রিকেটারের মিলনমেলা ঢাকা এবং রংপুর দলে। মাশরাফি যেমন পাচ্ছেন গেইল, ম্যাককালাম, চার্লস, বোপারাদের। তাদের টক্কর দেবার জন্য সাকিবের হাতেও আছে শহীদ আফ্রিদি, এভিন লুইস, সুনীল নারাইন, কাইরন পোলার্ডরা। আর অধিনায়ক সাকিব তো আছেনই।
তাই লড়াইটা যে সেয়ানে সেয়ানে হবে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।
/এসএম

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop