ksrm

খেলার সময়একতরফা ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন রংপুর

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
somoy
অনেকেই বলেন, ফাইনাল ম্যাচগুলো নাকি একতরফা হয়। কথাটি হয়তো সবসময় খাটে না। তবে শের-ই বাংলায় সেটাই হলো। একতরফা ম্যাচে ঢাকা ডায়নামাইটসকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা ঘরে তুললো রংপুর রাইডার্স। ক্রিস গেইলের দানবীয় সেঞ্চুরির সুবাদে গড়া ২০৬ রানের জবাবে খেলতে নেমে ১৪৯ রানেই রানেই অসহায় আত্মসমর্পণ করেন পোলার্ড, আফ্রিদিরা। ৫৭ রানের বড় জয় পায় রংপুর। মূলত গেইল একা যা করেছেন তার থেকে মাত্র ৩ রান বেশি করতে পেরেছে ঢাকার পুরো টিম।
এদিকে বিপিএলে মাশরাফি হারানো সম্রাজ্য আবারও ফিরে পেলেন। অধিনায়ক হিসেবে টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হবার পর ম্যাশের রাজত্বে হানা দেন সাকিব। এবার রংপুরের হয়ে আবারও সিংহাসন পুনরুদ্ধার করলেন নড়াইল এক্সপ্রেস।
ম্যাচের শেষের দিকে ঢাকার ডাগআউটে কুমার সাঙ্গাকারাকে নিরুত্তাপ ভঙ্গিতে বসে থাকতে দেখা গেলো। যে দলে সাঙ্গাকারার মতো ক্রিকেটার দলে সুযোগ পাননা তাদের নিয়েই ছেলেখেলা করলো রংপুর। শেষ ওভারে তো ক্রিস গেইল নিজেই বল করতে আসলে। ছয় বলে তখন দরকার পাকা ৬০ রান। অনেকটা মজাই করলেন গেইল। তবে রান দিলেন মাত্র ২টি।
টি-২০তে ২০৭ রানের লক্ষ্যটাকে কোনভাবেই ছোট বলার উপায় নেই। তারওপর ফাইনালের মতো উত্তেজনাকর ম্যাচে। তবে এই রানের বিপরীতে ঢাকার ব্যাটিং শক্তিটাও যথেষ্ট সমৃদ্ধই ছিলো। তবে ফাইনালের চাপটা শেষ পর্যন্ত তারা নিতে পারেননি। শুরু থেকেই উইকেট হারিয়েছে নিয়মিত বিরতিতে। আর এখানেও সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ক্যাপ্টেন ম্যাশ। প্রথম ওভারেই মাত্র ১ রান দিয়ে ওপেনার মেহেদী মারুফকে তুলে নেন। পরের ওভারে সোহাগ গাজীর শিকার হন জো ডেনলি। উইকেট হারাতে থাকলেও রানের চাকা সচল রাখে ঢাকা। ২৯ রানে চার উইকেট হারানোর পর জহুরুল হকের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। ২৬ রানে নাজমুল ইসলামের বলে সাকিব বোল্ড হয়ে গেলে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে ঢাকা। জহুরুলের অসাধারণ অর্ধশতক ব্যবধানটাই কেবল কমিয়েছে।
এরআগে সন্ধ্যায় টস জিতে ফিল্ডংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সাকিব আল হাসান। ক্রিস গেইল এবং জনসন চার্লসকে মোকাবেলার জন্য প্রথমেই বল তুলে দেন মোসাদ্দেক হোসেনের হাতে। অপরপ্রান্ত থেকে আক্রমণ চালান নিজেই। অধিনায়কের টোটকাটা ঠিকই কাজে লেগেছিলো। দ্বিতীয় ওভারেই গত ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান চার্লসে তুলে নেন সাকিব। এরপর ম্যককালামের সঙ্গে জুটি বাঁধলেও রান তুলতে খাবি খাচ্ছিলো টি-২০'র এ দুই বিগম্যান। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে মোসাদ্দেকের বলে গেইলের ক্যাচ ছাড়েন সাকিব। তখন তার রান মাত্র ২২। পরের বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে গেইল বুঝিয়ে দেন কত বড় ভুল করেছেন ঢাকা অধিনায়ক। সে ওভারে গেইল-ম্যাককালাম মিলে নেন ১৯ রান।
বাউন্ডারির জন্য খারাপ বলের অপেক্ষায় থাকা দুই ব্যাটসম্যান খোলস ছেড়ে বের হন ইনিংসের দ্বিতীয়ার্ধে। ১০ ওভারে যেখানে রান ছিলো ৬৩ সেখানে শেষ দশ ওভারে গেইল ম্যককালামদের ঝড়ে এসেছে ১৪৩ রান।
সাকিবের ভুলের ষোলকলা পূর্ণ করেন আবু হায়দার রনি। পনেরতম ওভারে আবারও ক্যাচ মিস। এবার নিজের বলে ম্যাককালামের ক্যাচটি তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হন আবু হায়দার রনি। তখন পর্যন্ত ২৯ বলে ২৭ রান করা ম্যককালাম শেষ পর্যন্ত ব্যাক টু ব্যাক অর্ধশতক এসেছে এ কিউইর ব্যাট থেকে। ৪৩ বলে ৫১ রানে গেইলকে সঙ্গ দিয়ে গেছেন তিনি।
আর বিপিএলের রেকর্ড ইনিংস গড়ে গেইল অপরাজিত থাকেন ১৪৬ রানে। রংপুর থামে ২০৬ রানে। উইকেট ওই একটিই।
/এসএম

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop