ksrm

খেলার সময়অ্যাশেজে সত্যিই কী ফিক্সিংয়ে জড়িয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররা?

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
somoy
চলমান অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্টে স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল সাবেক ও বর্তমান কিছু ক্রিকেটার। ইংলিশ দৈনিক 'দ্য সানের' স্টিং অপারেশনে উঠে এসেছে এমন তথ্য। ম্যাচের একটি নির্দিষ্ট ওভারে বা সেশনে কত রান হবে এই তথ্য চড়া দামে বিক্রি করার প্রস্তাব দিয়েছিল দুই ভারতীয় বাজিকর। তবে এর সঙ্গে কোনো অজি ক্রিকেটারের সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানান ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী জেমস সাদারল্যান্ড। আর বিষয়টিকে গভীর উদ্বেগের উল্লেখ করে কোনো ছাড় না দেয়ার কথা বলেছে আইসিসি।
ভদ্রলোকের খেলা ক্রিকেট। কিন্তু এই খেলাটি কলুষিত হবার নজিরও আছে অনেক। প্রযুক্তিগত বা পেশাদারিত্বের দিক থেকে অনেক এগিয়েছে ক্রিকেট। একই সঙ্গে বেড়েছে অসাধু ব্যক্তিদের দৌরাত্ম্য। গেলো এক দশকে অনেক নামী ক্রিকেটার ম্যাচ পাতানো কিংবা স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অপরাধে পেয়েছেন শাস্তি। কিন্তু তাও যেন দৃষ্টান্ত স্থাপনে যথেষ্ট না। ফিক্সিংয়ের বিষবৃক্ষ ছড়িয়ে গেছে ক্রিকেটের প্রতিটি পর্যায়ে।
গেলো ক'বছরে অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়া টি টোয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করছে বাজিকররা। যেখানে আইপিএলের ভূমিকাও আছে। তবে তা প্রত্যক্ষ নয়। আইপিএলের জন্য অপেক্ষায় থাকে বাজিকররা। সেখানেই হয়ে থাকে সবচেয়ে বেশি ফিক্সিং। ইংলিশ দৈনিক দ্য সানের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।
তবে তার থেকেও আঁতকে ওঠার মত খবর হলো, স্পট ফিক্সিংয়ের কালো থাবা এবার পড়েছে ক্রিকেটের সবচেয়ে পুরনো দ্বৈরথ অ্যাশেজে। যদিও স্পট ফিক্সিং হয়েছে এমন প্রমাণ নেই। তবে দুই ভারতীয় বাজিকরের সঙ্গে এক অস্ট্রেলিয়ান বুকির যোগাযোগ আছে। এক লাখ ৪০ হাজার পাউন্ডের বিনিময়ে দ্য সানের ছদ্মবেশী সেই প্রতিবেদককে স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেয়া হয়। আর সেই অজি বুকিকে তথ্য দিবেন সাবেক ও বর্তমান কিছু ক্রিকেটার। দুই ভারতীয় বাজিকরের দাবি এমনটাই। পার্থ টেস্টের নির্দিষ্ট একটি সেশনে বা ওভারে কত রান হবে এ নিয়েই বাজি ধরার জন্য মোটা অংকের অর্থ দাবি করেন তারা।
তবে আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের ম্যানেজার অ্যালেক্স মার্শাল ফিক্সিংয়ের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন। যদিও বিষয়টিকে গভীর উদ্বেগের বলে উল্লেখ করেন তিনি। এরই মধ্যে ইসিবি প্রধান নির্বাহী টম হ্যারিসন এবং আইসিসি অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের মহাব্যবস্থাপক অ্যালেক্স মার্শাল ও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সিইও টেলি কনাফেরেন্সে ফিক্সিং রোধে একসঙ্গে কাজ করার কথা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সাদারল্যান্ড কোনো অজি ক্রিকেটারের সংশ্লিষ্টতা উড়িয়ে দেন।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী জেমস সাদারল্যান্ড বলেন, 'আমাদের সব ক্রিকেটাররা যথেষ্ট শিক্ষিত। তারা দুর্নীতি সম্পর্কে সব সময় সতর্ক থাকেন। আর আইসিসিরি নিয়ম কানুন সম্পর্কেও তাদের ধারণা রয়েছে। আইসিসিরি পাশাপাশি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া সব সময় সতর্ক এসব অপরাধমূলক কাজ সম্পর্কে। আমাদের ক্রিকেটারদের সম্পর্কে আমার আত্মবিশ্বাস রয়েছে। তারা এমন কাজে সম্পৃক্ত হতে পারে না। ইসিবির উচিত তাদের অবস্থান পরিষ্কার করা।'
১৯৯৪ সালে বাজিকরদের পিচ ও দলের তথ্য জানিয়ে ধরা পড়লেও, জরিমানা দিয়েই পার পেয়ে যান অস্ট্রেলিয়ার শেন ওয়ার্ন ও মার্ক ওয়াহ। এরপর হ্যানসি ক্রনিয়ে, পাকিস্তানের ত্রয়ী বাট-আমের-আসিফ কিংবা ওয়েস্ট ইন্ডিজের মারলন স্যামুয়েলস। সবাই ফিক্সিং কিংবা তথ্য পাচারের সাথে জড়িত অভিযোগে শাস্তি পেয়েছেন। সানের স্টিং অপারেশনে ভারতীয় বাজিকররা এও জানান অনেক ক্রিকেটার এজেন্টের পাশাপাশি আছে পছন্দের বুকি। যদিও এই ফিক্সিংয়ের বেশীরভাগই হয়ে থাকে টি টোয়েন্টিতে। এখন আইসিসি শক্ত হাতে এই ইস্যু মোকাবেলা না করলে সেই দিন হয়তো দূরে না যখন ইমেজ সংকটে পড়বে ক্রিকেট।
/এসএম

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop