ksrm

খেলার সময়মাঠ সংকটে চট্টগ্রাম, নতুন খেলোয়াড় আসছে না ক্রীড়াঙ্গনে

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
একটা সময় দেশের ক্রীড়াঙ্গনে চট্টগ্রামের অ্যাথলিটদের আধিক্য থাকলেও, এখন তা খুব একটা দেখা যায়না। নগরায়ণের ফলে যে মাঠ সঙ্কট দেখা দিয়েছে, তা কাটানো গেলে আবারো হারানো গৌরব ফিরে পাবে চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গন। এমনটাই মত চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকদের। দাবি আছে ফুটবলের জন্য আলাদা একটি মাঠেরও। কিন্তু তা সম্ভব না হলেও, বর্তমানে যে মাঠগুলো রয়েছে সেগুলোকে পরিচর্যা করে খেলার উপযোগী করার আশ্বাস দিয়েছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির। তারেক হাসান শিমুলের রিপোর্ট।
দেশের বানিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম। ঢাকার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শহর। তবে ক্রীড়াঙ্গনে ঢাকায় যতটা সুযোগ রয়েছে সে তুলনায় অনেক পিছিয়ে বন্দর নগরী। ঢাকায় ক্রিকেট, ফুটবল কিংবা হকিসহ অন্যান্য ডিসিপ্লিনের জন্য আলাদা মাঠ থাকলেও, ভিন্ন রূপ চট্টগ্রামে। একটি মাত্র মাঠেই চলে প্রায় ‌১৫-২০ টি খেলা।
একটা সময় দেশের ক্রীড়াঙ্গনে দাপট ছিলো বন্দর নগরীর অ্যাথলেটদের। ক্রিকেট, ফুটবল, হ্যান্ডবলসহ বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে ছিলো চট্টগ্রামের অ্যাথলেটদের অধিপত্য। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তা আর দেখা যাচ্ছে না। ফুটবলের জন্য একটি মাত্র মাঠ এম এ আজিজ স্টেডিয়াম। তাও বছরের বড় একটা সময় বিভিন্ন মেলা এবং সাংস্কৃতিক কাজে তা ব্যস্ত থাকে। তাছাড়া প্রায় ১৫-২০টি ডিসিপ্লিনের অনুশীলন এবং খেলা চলে এই মাঠে। বন্দর নগরী থেকে ভালো মানের ফুটবলার তৈরী করতে হলে আলাদা একটি ফুটবল মাঠ তৈরি দাবি জাতীয় দলের তারকা ফুটবলার মামুনুল ইসলামের।
তিনি বলেন, ‘এম এ আজীজ স্টেডিয়ামে কিন্তু ফুটবল-ক্রিকেট দুটোই হয়। আমি বলবো যে এটি ফুটবলের জন্যই নির্দিষ্ট করে দেয়া উচিৎ। একটা ফুটবল একাডেমিও করা যায়। এটা যদি সুন্দরভাবে তৈরি করা যায়, তাহলে আমি বলবো যে অনেক প্লেয়ার উঠে আসবে।’
মাঠ স্বল্পতা কাটানো গেলে আবারো হারানো গৌরব ফিরে পাবে চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গন। এমনটাই মনে করছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সহ সভাপতি আলী আব্বাস।
তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামে প্রচুর মাঠ সংকট। ক্রিকেট কিন্তু প্রতিনিয়তই হচ্ছে। আস্তে আস্তে কিন্তু আমরা হেরে যাচ্ছি, কিন্তু ওরা এগিয়ে যাচ্ছে। ওদের মাঠ আছে। আমাদেরকেও মাঠ তৈরি করতে হবে।’
কিন্তু সিটি কর্পোরেশনের আয়োতন বৃদ্ধির কারণে চাইলেও এখন নতুন স্টেডিয়াম তৈরি সম্ভব নয়। জানিয়েছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির। তবে শহরে যে মাঠ গুলো রয়েছে সেগুলোর সঠিক পরিচর্যা করে খেলার উপযোগী করার আশ্বাস মেয়রের।
তিনি বলেন, ‘নতুন এখন কোনো মাঠ করার কিন্তু কোনো সুযোগ নাই। শহরের বাইরে মাঠ করার পরিকল্পনা আছে। আর একটা বা দু’টো মাঠ যদি আমরা পাই, ফুটবলের জন্য আর ক্রিকেটের জন্য যদি একটা পাই, আর হকি এবং অন্যান্য খেলার জন্য যদি আরেকটা মাঠ পাই, তাহলে চট্টগ্রাম থেকে শুধু ক্রিকেটের জন্যই নয়, অন্য আরও কয়েকটা খেলার জন্যও আমরা বিশ্বমানের প্লেয়ার দিতে পারবো।’
নতুন স্টেডিয়াম তৈরি সম্ভব না হলেও, জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের গ্যালারী সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রামের সিটি মেয়র।
এসএন

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop