ksrm

খেলার সময়'বিদেশভীতি কেটে যাবে, তৈরি করতে হবে টি-২০ স্পেশালিষ্ট'

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
somoy
হোম-অ্যাওয়ে, ক্রিকেটের খুবই পরিচিত এবং বিবেচ্য বিষয়। ঘরের মাটিতে সব দলই পেয়ে থাকেন কিছু সুবিধা আবার প্রতিপক্ষের মাঠে গেলে ঘটে তার উল্টো। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিষয়টা অনেক বেশিই প্রযোজ্য। কারণ, ক্রিকেটে টাইগারদের সাম্প্রতিক উত্থান ইর্ষণীয়ই বলা চলে। তবে বিদেশের মাটিতে সাফল্যটা ঠিক সেভাবে আসছেনা যতটা আসছে দেশের মাটিতে। সবশেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সফর তো মাশরাফি, মুশফিকদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের সঙ্গে একেবারেই বেমানান। তবে এই অবস্থা দ্রুতই কাটে যাবে, সময় নিউজকে এমন প্রত্যাশার কথাই জানিয়েছেন টাইগারদের ওয়ানডে দলপতি মাশরাফি বিন মোর্তজা।
'প্রথমত বলবো, বিদেশের মাটিতে কাজটা অত সহজ নয়। টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-২০'র প্রতিষ্ঠিত দলের দিকেও যদি তাকান তাদের ক্ষেত্রেও কিন্তু এমনটা হচ্ছে। যেমন, অস্ট্রেলিয়া ভারতে আসলে স্ট্রাগল করছে, ভারত অস্ট্রেলিয়ায় গেলেও সেটাই হচ্ছে। এমনকি এখন অন্যান্য দেশগুলো বাংলাদেশে আসলেও স্ট্রাগল করছে। তো ক্রিকেটে বিষয়টাই এরকম হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন হোম এন্ড অ্যাওয়ে।'
এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য মাশরাফির মতে, ঘরের মাটিতে সবগুলো ম্যাচ জিততে হবে এবং বাইরে গিয়ে অন্যান্য দলগুলোর তুলনায় যতটা সম্ভব বেশি ম্যাচ জিতের চেষ্টা করতে হবে।
ম্যাশ বলেন, 'আমরা আস্তে আস্তে এই পর্যায়ে যাওয়া শুরু করেছি। আপনি যদি তাকান, ২০১৫ সালে আমরা কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আমরা সেমিফাইনাল খেলেছি। আমরা আয়ারল্যান্ডে গিয়ে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছি। এমনকি নিউজিল্যান্ড সফরেও কিন্তু আমরা ফাইট করেছি। হয়তো বা শেষটা আমরা করতে পারিনি। ভবিষ্যতে যখন ট্যুর করবো তখন হয়তো এই বিষয়গুলো কমে আসবে।'
ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি সম্প্রতি দলগুলোর জন্য ভবিষ্যৎ ট্যুরের পরিকল্পনা দিয়েছে যেখানে ম্যাচের সংখ্যা বেড়েছে বাংলাদেশর। বিশেষ করে বিদেশের মাটিতে আগের চেয়ে অনেক বেশি ম্যাচ পাবে টাইগাররা। আর এই বিষয়টিই আশীর্বাদ হয়ে আসতে পারে টিম টাইগারের জন্য। এমনটাই মত মাশরাফির।
'আমাদের টেস্ট ম্যাচ অনেক বেড়েছে। ২০১৯ থেকে ২০২৩ এর মধ্যে আমরা প্রায় ৩৫টা টেস্ট ম্যাচ খেলতে পারবো। তার মানে বছরে প্রায় আট থেকে দশটা ম্যাচ খেলতে হবে। এটা আমাদের জন্য খুবই ভালো একটা দিক। অন্তত টেস্ট খেলোয়াড়রা আলাদা করে মনোনিবেশ করতে পারবে এবং নির্বাচক এবং টিম ম্যানেজমেন্টে যারা আছেন তারাও ফোকাস করতে পারবেন।'
এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ৪২টি টি-২০ খেলবে তার সঙ্গে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো যোগ করলে দাঁড়াবে প্রায় ৫০ এর কাছাকাছি। তাই এই ফরম্যাটকে মোটেও অবহেলার সুযোগ নেই বলে মনে করেন ম্যাশ। তবে দেশে টি-২০ ফরম্যাটের বিশেষজ্ঞ ক্রিকেটার খুব বেশি নেই, তাই সীমিত ফরম্যাটের জন্য কিছু বিশেষজ্ঞ ক্রিকেটার বের করার দরকার বলেও মনে করেন মাশরাফি।
'আমাদের টি-২০ স্পেশালিষ্ট খুবই কম। হয়তো বা সাকিব, তামিম এখন খেলছে। ইনজুরির আগে মোস্তাফিজ ছিলো। কিছু খেলোয়াড় যদি বের করা যায় টি-২০'র জন্য তাহলে অনেক ভালো হবে বলে আমার মনে হয়। কারণ, টি-২০ কে এখন আর অবহেলা করার সুযোগ নাই। কারণ, অনেক ম্যাচ খেলতে হবে এমনকি ওয়ানডের থেকেও বেশি ম্যাচ খেলতে হবে।'
/এসএম

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop