ksrm

খেলার সময়বিপিএলে বিদেশি ফুটবলারদের আক্ষেপের বড়দিন

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
somoy
বিপিএল ফুটবলের ব্যস্ততায় বড়দিন উদযাপন করতে পারেননি দেশে অবস্থানরত অধিকাংশ বিদেশি ফুটবলাররা। অবশ্য পেশাদারিত্বের খাতিরে এটি মেনে নিয়েছেন সবাই। তবে যারা সুযোগ পেয়েছেন ছুটে গেছেন চার্চে। অনেকেই সময় কাটিয়েছেন বন্ধুদের সঙ্গে। বাংলাদেশে কেমন কেটেছে তাদের বড়দিন? নিজেদের দেশেই বা তারা কিভাবে উদযাপন করতেন? কিংবা দিনটিতে কতোটা মনে পড়ে পরিবারের অন্যদের?
ক্রিসমাস ডে। খ্রিস্টধর্মের বড় দিন। শান্তি, সম্প্রীতি আর সাম্যের আহ্বানের সঙ্গে নতুনের আবাহন। দিনটিতে উৎসবের আমেজ নেমে আসে খ্রিস্টধর্মাবলম্বী সব মানুষের মাঝে।
তবে এই আমেজ থেকে অনেকটাই দূরে বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশী ফুটবলাররা। বিপিএলের সূচীর কারণে ক্লাবপাড়ায় কিংবা টিম হোটেলেই সীমিত তাদের পদচারণা। দু'একজন, যারা সুযোগ পেয়েছেন, ছুটে গিয়েছেন চার্চে। তবে বেশিরভাগেরই নাম বঞ্চিতদের তালিকায়। ধর্মের প্রতি আবেগ, পেশাদারিত্ব, আক্ষেপ সব মিলেমিশে একাকার এসব বিদেশীদের কণ্ঠে।
ঢাকা আবাহনীর ফুটবলার এমেকা ডার্লিংটন বলেন, 'আমার কাছে বড়দিন স্পেশাল। আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর দিন। আমার ভাইয়ের জন্মদিনও। বছরে এই দিনটি কেবল একবারই উদযাপনের সুযোগ থাকে। তবে আমাদের ক্লাব বলেছে যেহেতু ম্যাচ আছে তাই কোথাও যাওয়া যাবে না। তবে এনিয়ে আমার আফসোস নাই। এবছর হচ্ছে না, আগামী বছর নিশ্চয়ই আমার দেশে ক্রিসমাস ডে পালন করবো।'
ঢাকা আবাহনীর আরেক ফুটবলার সানডে চিজোবা বলেন, 'মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ আছে। যেহেতু আমি পেশাদার ফুটবলার, আমার কাছে খেলাটাই আগে। ম্যাচের আগে কোথাও যেতে পারিনি। তবে সমস্যা নেই। ম্যাচ জিতে আমরা ক্রিসমাস উদযাপন করবো।'
আর চট্টগ্রাম আবাহনীর ফুটবলার ডুকাকু এলিসন বলেন, 'এটি আমার জন্য অনেক বড় একটি চ্যালেঞ্জ। সাধারণত এই দিনটিকে আমরা বাসায় একসঙ্গে উদযাপন করি। তবে আমি যেহেতু পেশাদার খেলোয়াড় তাই এগুলো মেনে নিয়েছি।'
বের হওয়ার সুযোগ না পাওয়ায়, বড়দিনের আমেজটা ঠিক টের পাননি এসব খেলোয়াড়রা। তবু যতটুকু আঁচ পেয়েছেন তাতেই বেশ পার্থক্য চোখে পড়ছে তাদের।
চট্টগ্রাম আবাহনীর ফুটবলার লিওনেল সেইন্ট বলেন, 'আমাদের আর এদেশের মধ্যে অনেক পার্থক্য। আমাদের ওখানে পরিবার-বন্ধু-বান্ধব সবাই মিলে অনেক মজা করি। অনেক ধরণের খাবার-দাবার আয়োজন করা হয়। উপহার বিনিময় হয়, সব ধর্মের মানুষদের মাঝেই। প্রচুর মজা হয়।'
ফরাশগঞ্জের ফুবলার চিনেদু ম্যাথিও বলেন, 'ক্রিসমাস আসলে ক্রিসমাসই। সব জায়গায়ই একই। তবে এখানকার সাজসজ্জা, সংস্কৃতি তে কিছু পার্থক্য তো আছেই।'
এমন একটি দিনে নিজের পরিবারকে, নিজ দেশকেই সবার আগে মনে পড়ে ভিনদেশী এসব ফুটবলারদের। পেশাদার হলেও, এমন দিনে দেশে ফেরার আকুতিটা স্পষ্টই।
/এসএম

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop