ksrm

খেলার সময়সতেরোই টাইগারদের চড়াই-উতরাই

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
somoy
বছরটা শুরু হয়েছিলো নিউজিল্যান্ডে। তার আগের বছর অর্থাৎ ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে একটি ওয়ানডে সিরিজ হারের মধ্য দিয়েই শুরু হয়েছিলো সফরটি। এরপর তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজে হোয়াইটওয়াশ। দুই টেস্টেও একই পরিণতি। প্রথম টেস্টে সাকিবের দ্বিশতক এবং মুশফিকের ১৫৯ রানে কিছুটা লড়াই করেছিলো ঠিকই তবে হার এড়ানো সম্ভব হয়নি।
ফেব্রুয়ারিতে ভারতে প্রথম টেস্ট খেলার আমন্ত্রণ পায় বাংলাদেশ। হায়দ্রাবাদে একমাত্র টেস্টের অভিজ্ঞতাও ভালো ছিলো না মুশফিকবাহিনীর জন্য। বাংলাদেশি বোলারদের অসহায় বানিয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেন মুরালি বিজয় এবং হৃদ্ধিমান শাহ। আর বিরাট কোহলি তো করে ফেলেন ডাবল সেঞ্চুরি। মুশফিকের ব্যাট থেকে একটা সেঞ্চুরি আসলেও ২০৮ রানের বড় হার নিয়েই ফিরতে হয় টাইগারদের।
শ্রীলঙ্কায় নিজেদের শততম টেস্ট জিতে দুই ম্যাচের সিরিজ সমতায় শেষ করে হাথুরুসিংহের শিষ্যরা। তবে প্রথম বারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট জয়কে বছরের সেরা অর্জন বলা যেতেই পারে। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকায় হোয়াইট ওয়াশের দুঃস্বপ্ন নিয়ে ফিরতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
অর্জনের চূড়া:
শ্রীলঙ্কা সফরটাই বাংলাদেশের জন্য বেশ সুখকর ছিলো বলা যায়। যেখানে টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-২০ সিরিজ ড্র করে ফেরে বাংলাদেশ। তবে ঘরের মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোটাই সম্ভবত বছরের সবচেয়ে বড় অর্জন।
ব্যর্থতার গিরিখাত:
বছরের শেষ দিকে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরটা মনে রাখতে চাইবে না বাংলাদেশ। সব ফরম্যাট মিলিয়ে ৭-০ ব্যবধানের লজ্জা নিয়ে দেশে ফেরে মুশফিক, সাকিবরা। প্রোটিয়া পেসারদের সামনে টাইগার ব্যাটসম্যানদের অসহায়ত্ব নীতিনির্ধারকদের কপালে ভাজ ফেলবে বৈকি। সফরে দারুণ বোলিং ব্যর্থতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে বিদেশের মাটিতে টাইগারদের দুর্বলতাটা।
নতুনের উত্থান:
এবছরেই টি-২০ এবং ওয়ানডেতে অভিষেক হয়েছে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের। অনেকেই হয়তো তার পারফম্যন্স নিয়ে নাক সিটকাতে পারেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের প্রথম বছরটা হয়তো মনে রাখার মতো না সাইফুদ্দিনের জন্য। মাত্র চার সপ্তাহের ব্যবধানে ডেভিড মিলার এবং ড্যারেন স্যামিকে এক ওভারে ৩০ রানের বেশি দিয়েছেন। তবে দারুণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে ফিরে এসেছেন এ তরুণ। দেখিয়েছেন নিজের সামর্থ্য। লেট অর্ডারে সাইফুদ্দিনের ব্যাটও বেশ কার্যকর।
ধুসর তারা:
বাংলাদেশ ক্রিকেটে বেশ কয়েক বছর ধরেই ট্র্যাজিক চরিত্র হয়ে আছেন নাসির হোসেন। জাতীয় দলের এক সময়ের এ নির্ভরতার প্রতীক এখন আর সেভাবে জায়গা পান না। যদিও ঘরোয়া লিগে দুর্দান্ত খেলছেন। আর তাতেই সমালোচনা, কেনো নেয়া হচ্ছে না নাসিরকে? দক্ষিণ আফ্রিকার কঠিন কন্ডিশনে সুযোগ পেয়েছিলেন এ অলরাউন্ডার। যদিও নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। পাঁচ ম্যাচে ৮৭ রান এবং ২ উইকেট নিয়েছেন। এবং প্রোটিয়া পেসারদের সমনে অতটা সাবলিলও মনে হয়নি তাকে।
আসছে ২০১৮:
আসছে বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশ ব্যস্ত সময় কাটাবে বাংলাদেশ। বছরটা শুরু হবে জিম্বাবুয়ে এবং শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের মাধ্যমে। এরপরই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-২০ এবং টেস্ট সিরিজ। মার্চে নিধিহাস ট্রফি খেলতে শ্রীলঙ্কা সফর। ত্রিদেশীয় এ সিরিজে স্বাগতিকরা ছাড়াও থাকবে ভারত। জুনে এশিয়া কাপে খেলার কথা। এরপর জুলাই এবং আগস্টে যথাক্রমে অস্ট্রেলিয়া এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর। আর নিউজিল্যান্ড সফরের মধ্য দিয়ে বছর শেষ করবে বাংলাদেশ। তবে ২০১৭-১৮ শিডিউলে জিম্বাবুয়েকেও আতিথ্য দেবার কথা টাইগারদের।
#ক্রিকইনফো অবলম্বনে

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop