বাংলার সময়রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু নিয়ে সংশয়

কমল দে

fb tw
সরকারের নানামুখী তৎপরতার পরও ২২শে জানুয়ারি থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবসন প্রক্রিয়া শুরু নিয়ে রয়েছে সংশয়। বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আগের ধারাবাহিকতায় এবারও মিয়ানমার সরকারের টালবাহানা’র আশংকা করা হচ্ছে।
একই সাথে রোহিঙ্গাদের মাঝে নানা গুজব ছড়িয়ে প্রত্যাবসন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ করার আশংকা বিশ্লেষকদের। আর অপপ্রচার চালিয়ে রোহিঙ্গাদের একটি অংশকে দিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত শুরু হয়েছে। তবে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সতর্কতার সাথে কাজ চলছে বলে দাবি পুলিশের।
নানা কূটকৌশল এবং টালবাহানা সত্বেও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার সরকার।
আগামী ২২শে জানুয়ারি রোহিঙ্গা প্রত্যাবসন শুরুর সম্ভাব্য তারিখ হিসাবে নির্ধারণ করেছে মিয়ানমার সরকার। সে অনুযায়ী প্রত্যাবসন প্রক্রিয়ার শুরুর প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন জানালেন কক্সবাজার উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নিকারুজ্জামান চৌধুরী।
১৯৭৮ সাল থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ শুরুর পর ৯০ সালে কিছু রোহিঙ্গাকে ফেরত নেয় মিয়ানমার সরকার। কিন্তু এরপর রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সরকার যেমন গড়িমসি করেছে, তেমনি রোহিঙ্গাদের একটি অংশও শরীক হয়েছিলো নিজ দেশে ফেরত না যাওয়ার নানা চক্রান্তে।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবসন কমিটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আদিল চৌধুরী বলেন, 'প্রত্যাবসনে দেখা যায় একটা না একটা দুর্ঘটনা ঘটবে। কে করে, করা করে? এই দড়িটা অনেক দূর থেকে টানা হয়।'
নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর অব. এমদাদুল ইসলাম বলেন, 'দু দেশের আইন শৃঙ্খলাবাহীনি আছে তাদের মধ্যে বোঝাপড়া উচিত।'
গত ২৫শে আগষ্ট থেকে ব্যাপক আকারে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ শুরু করলে আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে চক্রটি। রোহিঙ্গাদের মধ্যে গুজব রটিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টির চেষ্টাও চলে। এ অবস্থায় প্রত্যাবসন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে করতে কাজ শুরু করেছে প্রশাসন বললেন উখিয়া কতুপালং আশ্রয় শিবির ক্যাম্প ইনচার্জ রেজাউল করিম এবং কক্সবাজার পুলিশ সুপার ড. এ কে এম ইকবাল হোসেন ।
এদিকে সীমান্তের খুব কাছাকাছি এসে মিয়ানমার সেনাবাহিনী গুলিবর্ষণ করে আতংকের সৃষ্টি করছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।  
অভিবাসন সংস্থা আইএমও’র সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে ৮ লাখ ৬৪ হাজার রোহিঙ্গার অবস্থান রয়েছে বলা হলেও এর প্রকৃত সংখ্যা ১১ লাখের বেশি বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। এর মধ্যে ২৫শে আগষ্টের পর সাড়ে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop